ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শিবালয় অংশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে চলছে নছিমন, করিমন, ভটভটি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক। উথুলী, বরংগাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী যানবাহনের সঙ্গে এসব ধীরগতির যান চলাচল করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে নিয়মিত চলাচল করলেও এসব যান নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান তৎপরতা কম। সরজমিন দেখা গেছে, বিভিন্ন পয়েন্টে থ্রি-হুইলার মহাসড়কের ওপরই নিয়মের তোয়াক্কা না করেই যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে দ্রুতগতির বাস ও ট্রাককে হঠাৎ গতি কমিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা (মিরপুর)-উথুলী-পাটুরিয়া সড়কটি ঘ৫ জাতীয় মহাসড়ক। ২০১৫ সালের ২৭শে জুলাইয়ের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে মহাসড়কে থ্রি-হুইলারসহ নির্দিষ্ট যান চলাচল নিষিদ্ধ।
২০২৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর বিআরটিএ এ-সংক্রান্ত নোটিশও প্রচার করে। বরংগাইল হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনার একাধিক মামলা হয়েছে এবং নিয়মিত মামলা সাতটি। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক থ্রি-হুইলার চলাচলের তুলনায় আইনগত ব্যবস্থা এত কম কেন।
মানিকগঞ্জ বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মাহবুব কামাল বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলার মহাসড়কে চলতে পারে না। নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও কয়েকটি এলাকায় এসব যান বেড়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার জানান, মহাসড়ক নিরাপদ রাখতে বিআরটিএ ও হাইওয়ে পুলিশকে তৎপর থাকতে বলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সময় সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। বরংগাইল হাইওয়ে থানার ওসি হারুন অর রশিদ জনবল সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, নিষিদ্ধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
