সংগঠনকে গতিশীল করতে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে

সংগঠনকে গতিশীল করতে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি স্তরে দায়িত্বশীলতা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে হবে। তাদের প্রয়োজনকে নিজেদের প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হতে হবে। এভাবেই মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেছেন, জামায়াতের দায়িত্বশীলদের মানবিক গুণ ও উন্নত নৈতিক মানে সেরা হতে হবে। এর আলোকে সর্বস্তরের জনশক্তিকে গড়ে তুলতে হবে। সংগঠনের প্রতিটি পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের সুখ-দুঃখ ও প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে হবে।

আগামীতে প্রতিটি স্থানীয় নির্বাচনে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের আলোকে এগিয়ে থাকতে হবে। তিনি শুক্রবার সকালে নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার একটি মিলনায়তনে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত দুই দিনব্যাপী রুকন (সদস্য) শিক্ষাশিবিরের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি বলেন, অবৈধ অর্থ উপার্জনের চিন্তাও যেন হৃদয়ে লালিত না হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাবতীয় লেনদেনে স্বচ্ছতার পরিচয় দিতে হবে। হারাম থেকে মুক্ত থাকতে হবে। একইসঙ্গে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। মমতাময়ী মাকে সম্মান দিতে গিয়ে স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়িকে অপমান করা যাবে না।

পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শাকুর ও মাওলানা আব্দুল মুকিত প্রমুখ। শিক্ষাশিবিরে মহানগরীর রুকনরা অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, নৈতিক ও সাংগঠনিক মানোন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আত্মশুদ্ধি ও জ্ঞানচর্চার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। দায়িত্বশীলদের নিজেদের যোগ্যতা ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশের পাশাপাশি নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে মনোযোগী হতে হবে।