২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ

অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতের সম্পদ বিবরণী তলব

ফন্ট সাইজ:

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাতের সম্পদের হিসাব তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাকে নিজের, স্ত্রী/স্বামী এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে-বেনামে থাকা সম্পদ, দায়-দেনা ও আয়ের উৎসের বিস্তারিত বিবরণ জমা দিতে বলা হয়েছে।

রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো পৃথক আদেশে নোটিশ পাওয়ার ২১ কর্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে কমিশনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়েছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নোটিশ সূত্রে জানা যায়, দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় এ আদেশ দেয়া হয়েছে। এতে আবুল বারাকাতের নিজ নামে, স্ত্রী/স্বামী এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস এবং সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ চাওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে কিংবা মিথ্যা বা ভুল বিবরণী দিলে দুদক আইনের ২৬(২) ধারা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারাকাতকে ২০২৫ সালের ১১ই জুলাই ধানমণ্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া এননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় সাড়ে ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায়ও তিনি চার্জশিটভুক্ত আসামি। ওই মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের অক্টোবরে চার্জশিট দেয় দুদক।
জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আবুল বারাকাতের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ও মামলা চলমান রয়েছে।