জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ও ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি দুটি মূল্যায়ন বিশেষভাবে আলোচনার দাবি রাখে। একটি এসেছে সাংবাদিক ও দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষক ডেভিড বার্গম্যানের বিশ্লেষণে; অন্যটি এসেছে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের মরণোত্তর প্রকাশিত স্মৃতিকথা Bangladesh Jamaat-e-Islami: Its History and Politics-এ।
দুই উৎসের অবস্থান এক নয়। ডেভিড বার্গম্যান বাইরে থেকে জামায়াতের রাজনীতি ও তার পরিবর্তনকে পর্যবেক্ষণ করেছেন। অন্যদিকে আবদুর রাজ্জাক ছিলেন দীর্ঘদিন দলটির অভ্যন্তরে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে। তাঁর স্মৃতিকথায় ১৯৭১-এর ভূমিকা নিয়ে দলটির ভেতরে ক্ষমা চাওয়া, পুনর্মূল্যায়ন ও সংস্কারের যে উদ্যোগ এবং মতবিরোধের বিবরণ পাওয়া যায়, তা দলটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৯৪, ২০০১, ২০০৫ ও ২০১৬ সালে একাত্তরের বিষয়টি মোকাবিলা ও ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল; ২০১৯ সালে একপর্যায়ে জামায়াত বিলুপ্ত করে নতুন দল গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি।
ডেভিড বার্গম্যানের মূল্যায়নেও আবদুর রাজ্জাকের স্মৃতিকথাকে জামায়াতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে দেখা হয়েছে। তাঁর আলোচনায় রাজ্জাক জামায়াতের ১৯৭১-এর ভূমিকা, পরবর্তী সময়ে ক্ষমা না চাওয়া এবং নেতৃত্বের একাধিক নীতিগত ভুলের কথা তুলে ধরেছেন।
তবে আবদুর রাজ্জাকের এই বিবরণ জামায়াতকে দায়মুক্ত করার কোনো দলিল নয়। বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—একটি রাজনৈতিক সংগঠন তার অতীতের অবস্থান সম্পর্কে বহুবার পুনর্বিবেচনার সুযোগ পেয়েও কেন শেষ পর্যন্ত সুস্পষ্ট ও নিঃশর্ত অবস্থান নিতে পারেনি?
আর সেই প্রশ্ন থেকেই আরও মৌলিক একটি প্রশ্ন সামনে আসে—কোনো রাজনৈতিক দলের বর্তমান জনসমর্থন কি তার অতীতের ঐতিহাসিক দায়কে মুছে দিতে পারে?
একটি রাষ্ট্রের ইতিহাসে কিছু ঘটনা থাকে, যেগুলো কেবল অতীতের ঘটনা নয়—সেগুলো জাতির নৈতিক স্মৃতি। ১৯৭১ সালের গণহত্যা, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান এবং সেই সময়কার রাজনৈতিক সহযোগিতার প্রশ্নও তেমনই একটি বিষয়। সময় বদলায়, রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলায়, জনগণের রায় বদলায়; কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের বর্তমান জনসমর্থন অতীতের ঐতিহাসিক দায়কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে দিতে পারে কি?
জনগণের ভোট একটি রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় আনতে পারে। এটি গণতন্ত্রের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু একটি নির্বাচন ইতিহাসের আদালত নয়। ভোটের বাক্স অতীতের অপরাধের বিচার করে না; কোনো নির্বাচনী বিজয় নিহত মানুষের জীবন ফিরিয়ে দেয় না; কোনো সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ইতিহাসের সত্যকে বাতিল করতে পারে না।
অর্থাৎ জনসমর্থন রাজনৈতিক বৈধতার বর্তমান ভিত্তি হতে পারে, কিন্তু অতীতের নৈতিক দায়মুক্তির সনদ নয়।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য করা প্রয়োজন—রাজনৈতিক বৈধতা এবং নৈতিক দায় এক বিষয় নয়।
একটি দল আজ জনগণের ভোট পেয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে পারে। তার অর্থ হলো, বর্তমান জনগণের একটি অংশ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ তাকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু সেই ভোটের অর্থ এই নয় যে, জনগণ তার অতীতের প্রতিটি রাজনৈতিক অবস্থানকে নৈতিকভাবে অনুমোদন করেছে।
কারণ ভোট সাধারণত বর্তমানের কর্মসূচি, নেতৃত্ব, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার ওপর দেওয়া হয়। ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়কে অনুমোদন করার জন্য ভোট দেওয়া হয় না।
সুতরাং ক্ষমতায় ফিরে আসা আর ইতিহাস থেকে মুক্তি পাওয়া এক কথা নয়।
কিন্তু গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। গণতন্ত্রের গভীরে রয়েছে মানুষের জীবন, স্বাধীনতা, মর্যাদা এবং ন্যায়বিচারের স্বীকৃতি।
১৯৭১-এর ইতিহাসের দায় নির্ধারণ করতে হবে সত্য, প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে। ইতিহাসের দায় সময়ের সঙ্গে মুছে যায় না; তবে সেই দায় ব্যক্তিগতভাবে বংশপরম্পরায় বর্তায় না। রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ইতিহাসের নির্মম অধ্যায় অস্বীকার বা মুছে ফেলা নৈতিক নয়।
এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে। অতীতের কোনো অপরাধে বর্তমান নেতৃত্ব বা কোনো ব্যক্তি সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও, সেই অপরাধের ঐতিহাসিক দায় সম্পর্কে তার বর্তমান অবস্থান নৈতিকভাবে মূল্যহীন নয়।
অতীতের অপরাধের ব্যক্তিগত দায় এবং সেই অপরাধ সম্পর্কে বর্তমানের নৈতিক অবস্থান—দুটি ভিন্ন বিষয়। যে ব্যক্তি কোনো অপরাধের সময় উপস্থিত ছিলেন না, তিনি সেই অপরাধের ব্যক্তিগত অপরাধী নন। কিন্তু তিনি যদি সেই অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত রাজনৈতিক সংগঠনের বর্তমান নেতৃত্বে থাকেন, তাহলে অতীতের সেই ভূমিকা সম্পর্কে তার স্বীকার, অস্বীকার, নীরবতা কিংবা পুনর্মূল্যায়ন বর্তমান রাজনৈতিক নৈতিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে ওঠে।
কারণ অতীতের দায় উত্তরাধিকারসূত্রে ব্যক্তিগত অপরাধ হিসেবে বর্তমান ব্যক্তির ওপর চাপানো যায় না; কিন্তু একটি রাজনৈতিক সংগঠনের ইতিহাসের সঙ্গে বর্তমান নেতৃত্বের সম্পর্ক অস্বীকারও করা যায় না। তারা সেই ইতিহাসকে কীভাবে দেখছেন, তার ভুল স্বীকার করছেন কি না, ভুক্তভোগীদের প্রতি দায় স্বীকার করছেন কি না এবং ভবিষ্যতে সেই ধরনের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি রোধে কী অঙ্গীকার করছেন—এসবই বর্তমানের নৈতিক অবস্থানকে অর্থবহ করে।
অন্যদিকে, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য অতীতের প্রতিষ্ঠিত সত্যকে অস্বীকার করা, দায়কে আড়াল করা অথবা ইতিহাসের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই—এমন ভান করাও বর্তমানের নৈতিকতার অংশ।
ক্ষমা চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়। বরং নিজের ভুল স্বীকার করার সক্ষমতা একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নৈতিক পরিপক্বতার লক্ষণ হতে পারে। কিন্তু ক্ষমা চাওয়ারও একটি নৈতিক ব্যাকরণ আছে।
“যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে”—এই ভাষা এবং “আমরা ভুল করেছি”—এই ভাষা এক নয়।
প্রথমটি দায়কে অনিশ্চিত রাখে। দ্বিতীয়টি দায় স্বীকার করে।
রাজনৈতিক ক্ষমতা জনগণের কাছ থেকে আসে। কিন্তু নৈতিক ক্ষমা আসে ভুক্তভোগী মানুষের প্রতি দায় স্বীকারের মধ্য দিয়ে।
একটি দল নির্বাচনে জয়ী হতে পারে, বিরোধী দলের আসনে বসতে পারে, কিন্তু কোনো নির্বাচনী জয় ১৯৭১-এর নিহত মানুষদের পক্ষ থেকে কাউকে ক্ষমা করে দেওয়ার নৈতিক রায় নয়। জনগণের ভোট রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা দিতে পারে; কিন্তু তার অর্থ এই নয় ইতিহাস তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে।
জাতীয় সংসদ কোনো গণহত্যার সত্যকে সংখ্যাগরিষ্ঠ–সংখ্যালঘিষ্ঠের বিতর্কে পরিণত করতে পারে না। কারণ গণহত্যার দায় ভোটের হিসাবে নির্ধারিত হয় না, আর নিহত মানুষের ন্যায়বিচার কোনো নির্বাচনী ফলাফলের ওপর নির্ভরশীল নয়। জনসমর্থন রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্ন হতে পারে; কিন্তু তা ঐতিহাসিক দায়মুক্তির সনদ নয়।
কারণ মানবিক মর্যাদা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে সৃষ্টি হয় না, আবার সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে বিলুপ্তও হয় না।
আমাদের প্রয়োজন না ইতিহাসের প্রতিহিংসা, না ইতিহাসের বিস্মৃতি। আমাদের প্রয়োজন ইতিহাসের সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো।
যে সমাজ নিজের অতীতের অন্যায় নিয়ে কথা বলতে ভয় পায়, সে সমাজ ভবিষ্যতের অন্যায় প্রতিরোধ করার নৈতিক শক্তিও হারায়।
আমরা যদি সত্যিই বিশ্বাস করি—রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, তাহলে জনগণের সার্বভৌমত্বের অর্থ শুধু ভোট দেওয়া নয়; রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র নির্ধারণেও জনগণের অধিকার আছে।
জনগণ সরকার পরিবর্তন করতে পারে। রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় আনতে পারে, ক্ষমতা থেকে সরাতে পারে। কিন্তু জনগণের সার্বভৌমত্বের নামে এমন কোনো নৈতিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করা যায় না যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই অতীতের অন্যায় মুছে যাবে।
জনগণের ইচ্ছা রাষ্ট্রের ক্ষমতার উৎস; কিন্তু সত্য, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়।
এ কারণেই একটি নৈতিক প্রজাতন্ত্রে বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং অতীতের ঐতিহাসিক সত্য—দুটিকে পাশাপাশি ধারণ করতে হয়।
আমাদের ভুলে গেলে চলবে না—রাজনীতি কেবল ক্ষমতা অর্জনের কৌশল নয়; রাজনীতি মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নৈতিক দায়িত্বও।
তাই কোনো রাজনৈতিক দলের বর্তমান জনসমর্থনকে অস্বীকার করার প্রশ্ন যেমন নয়, তেমনি সেই জনসমর্থনের কারণে তার অতীতের ঐতিহাসিক প্রশ্ন মুছে ফেলার প্রশ্নও নয়।
১৯৭১-এর গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার ঐতিহাসিক দায় রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে বিলীন হয় না। জনসমর্থন রাজনৈতিক বৈধতা দিতে পারে, কিন্তু কোনো ঐতিহাসিক অপরাধের দায়মুক্তির সনদ দিতে পারে না।
এই প্রসঙ্গে জন এফ ড্যানিলোভিচের সাম্প্রতিক বক্তব্যটিও তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জামায়াতের পাশাপাশি আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং সামগ্রিক সমাজকেও নিজেদের অতীত ভূমিকার সঙ্গে হিসাব মেলানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি একটি মৌলিক সত্য সামনে আনে—ঐতিহাসিক দায়ের প্রশ্নে কোনো দলের জন্য আলাদা নৈতিক মানদণ্ড হতে পারে না। আত্মসমালোচনা ও রাজনৈতিক পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন, কিন্তু তা অতীতের অপরাধের দায় মুছে দেয় না; বরং সত্য স্বীকার, দায় নির্ধারণ এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি ন্যায়বিচারের মধ্য দিয়েই নৈতিক পুনর্গঠনের পথ তৈরি হয়।
জনগণের ইচ্ছা রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার রায় ইতিহাসের সত্যের বিকল্প নয়। জনগণ সরকার পরিবর্তন করতে পারে, রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় আনতে পারে বা ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে পারে; কিন্তু কোনো নির্বাচনী বিজয় নিহত মানুষের পক্ষ থেকে ক্ষমা ঘোষণা করতে পারে না। জনসমর্থন রাজনৈতিক বৈধতা দিতে পারে, কিন্তু ঐতিহাসিক দায়মুক্তির সনদ দিতে পারে না।
একটি নৈতিক প্রজাতন্ত্রে তাই বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং অতীতের ঐতিহাসিক সত্য—দুটিকে পাশাপাশি ধারণ করতে হবে। ১৯৭১-এর গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার দায় সত্য, প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে; কোনো দলের বর্তমান জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী বিজয় কিংবা ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন সেই দায়কে বিলীন করতে পারবে না। একই সঙ্গে অতীতের দায় ব্যক্তিগতভাবে বংশপরম্পরায় বর্তায় না—বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব হলো সেই ইতিহাসকে অস্বীকার না করে সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানো এবং ভবিষ্যতে তার পুনরাবৃত্তি রোধের নৈতিক অঙ্গীকার করা।
কারণ রাজনীতি কেবল ক্ষমতা অর্জনের কৌশল নয়; রাজনীতি মানুষের জীবন, স্বাধীনতা ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষমতা জনগণের অর্পিত আমানত, ইতিহাস কোনো দলের সম্পত্তি নয়, আর মানবিক মর্যাদা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে সৃষ্টি হয় না—ভোটের সংখ্যায় তার বিলুপ্তিও ঘটে না।
সুতরাং আমাদের রাষ্ট্রচিন্তার লক্ষ্য হওয়া উচিত—অতীতকে প্রতিহিংসার চোখে নয়, সত্যের চোখে দেখা; অপরাধকে দলীয় আনুগত্যের চোখে নয়, ন্যায়বিচারের চোখে বিচার করা; এবং বর্তমানের জনরায়কে সম্মান করেও ইতিহাসের দায়কে অদৃশ্য না করা। কারণ জনসমর্থন ক্ষমতায় ফেরার বৈধতা দিতে পারে, কিন্তু ইতিহাসের দায়মুক্তি দিতে পারে না।
লেখক: গীতিকবি, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
[email protected]
