আউটফিল্ড ভেজা থাকায় এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের বিপক্ষে স্বপ্নের কোয়ার্টার ফাইনালটি খেলতে পারেনি চীন নারী দল। র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে কোয়ার্টার ফাইনালে না খেলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। তবে তাতে থামছে না দুই দলের লড়াই। শনিবার আবারও চীনের বিপক্ষে মাঠে নামছে জ্যোতির দল—এবার অবশ্য ম্যাচটি হবে প্রীতি ম্যাচ হিসেবে।
চীনের অনুরোধেই বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ম্যাচ আয়োজন করছে স্বাগতিক জাপান। নিশিন সিটির কোরোগি স্পোর্টস পার্কে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় শুরু হবে ২০ ওভারের ম্যাচটি।
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ বলেন,‘চীনের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নারী দল কাল একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নেবে। এটি গেমসের কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচ নয়। বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সম্পর্কের জন্যই ম্যাচটি খেলতে রাজি হয়েছে বাংলাদেশ।
শনিবার বিকেলে হবে এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এর আগে সকালেই চীনের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে। ফলে উদ্বোধনী দিনের ব্যস্ততার সঙ্গে যোগ হয়েছে নারী ক্রিকেট দলের ম্যাচের দায়িত্বও।
ইমরোজ আহমেদ বলেন,‘উদ্বোধনী দিনে এমনিতেই ব্যস্ততা থাকে। এরপর আবার সকালে খেলা থাকায় বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। বিসিবি সভাপতি ও নারী উইংয়ের চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করেই এই প্রীতি ম্যাচটি হচ্ছে।’
এদিকেএশিয়ান গেমসের আয়োজনে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কথাও তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন। বিশেষ করে আবাসন নিয়ে বিভিন্ন দলের সমস্যা থাকলেও বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সেখানে বড় কোনো সমস্যায় পড়েনি। তবে খাবার ও যাতায়াত নিয়ে বিড়ম্বনা রয়েছে।
ইমরোজবলেন,‘বাংলাদেশ আবাসন নিয়ে সমস্যায় না পড়লেও খাবার এবং যাতায়াতে খানিকটা বিড়ম্বনায় পড়ছে। বাস অনেক সময় বিলম্বে পৌঁছায়। তখন খাবার না থাকার বা অপর্যাপ্ত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি হালাল খাবার সীমিত হওয়ায় অনেক সময় প্রয়োজনের তুলনায় সেটিও কম পাওয়া যাচ্ছে।’
সমস্যাগুলো নিয়ে প্রতিদিনের মিটিংয়ে আলোচনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আয়োজকরা পরিস্থিতি উন্নত করার চেষ্টা করলেও বাস্তবতার সঙ্গে নিয়ম-কানুনের সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের এই কর্মকর্তা।
