আবাহনীর মাঠের লিজ বাতিল

আবাহনীর মাঠের লিজ বাতিল

ফন্ট সাইজ:

ধানমণ্ডির আবাহনী মাঠটি ঐতিহ্যবাহী আবাহনী ক্লাবের অধীনে থাকছে না। চুক্তির শর্ত পূরণ করতে না পারায় লিজ বাতিল করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এই মাঠটিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত করেছে। হাতবদল হয় ধানমণ্ডি ক্লাব লিমিটেডের মাঠের দায়িত্বও। এ উপলক্ষে গতকাল দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্বাক্ষর চুক্তি হয়। এই মাঠগুলো কোনো বিশেষ শ্রেণির মানুষের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান জানান, ‘মাঠ বাবদ আবাহনী ক্লাবের দুই বছরের ফি বকেয়া আছে। তারা ২০২৩ সালের পর আর ফি দেয়নি। ২০২৪ সালের ফি জমা করার রসিদ দেখা যাচ্ছে, তবে সেটা চুক্তি বাতিল করার পর দেয়া হয়েছে।’

৯৯ বছরের জন্য বরাদ্দ পাওয়া এই মাঠের চুক্তি টানা দুই বছর ফি বকেয়া থাকার কারণেই বাতিল করা হয়েছে বলে দাবি মন্ত্রণালয়টির।
ধানমণ্ডির আবাহনী মাঠটি আগে আবাহনী ক্লাবের নামে বরাদ্দ ছিল। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘গত ১১ই মে আবাহনী ক্লাবের সঙ্গে করা চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। খেলার মাঠ থাকবে, বাচ্চারা খেলবে, এটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।’ এদিকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, মাঠে ইতিমধ্যে যে অবকাঠামো তৈরি হয়েছে, তা ভেঙে না ফেলে কীভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, সেটিই এখন মূল লক্ষ্য। আবাহনী ও ধানমন্ডি ক্লাব বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলার মাঠ কোনো বিশেষ শ্রেণির মানুষের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না। মাঠগুলো সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা দেয়ার পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় উপজেলা ক্রীড়া কর্মকর্তার পদ সৃষ্টির অনুমোদন হয়েছে বলেও জানান তিনি।