দেশের ভেতর কনসার্ট আয়োজনের সংখ্যা কেবল কমছেই। গত দুই বছরে বিভিন্ন স্থানে একটি শ্রেণির আপত্তিতে কনসার্ট কিংবা গানের অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। এমনকি বিদেশি শিল্পীদের কনসার্টও বন্ধ হয়েছে নিরাপত্তাহীনতার কারণে। নিরাপত্তাহীনতা ও স্থগিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাতেই ঢাকা ও এর বাইরের বিভিন্ন স্থানে কনসার্ট আয়োজকরাও পিছিয়ে যাচ্ছেন এ বিষয়ে। অনেক আয়োজকই কনসার্ট আর আয়োজন করতে চাচ্ছেন না।
বিশেষ করে ওপেন এয়ার কনসার্ট। সে কারণেই ইনডোরে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হলেও দেশের ভেতর কনসার্টের
সংখ্যা কমছে। আর এসব বিষয়ের কারণে দেশের শিল্পীরাও বিদেশমুখী হচ্ছেন। কারণ দেশে কমলেও বিদেশে কনসার্ট আয়োজনের সংখ্যা বেড়েছে। লম্বা সফরে দেশের শিল্পীরা যাচ্ছেন আমেরিকা, কানাডা কিংবা ইউরোপ সফরে। নগরবাউল জেমস্ গত দুই মাস ইউরোপে কনসার্ট করেছেন। সবশেষ তিনি কনসার্টে অংশ নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়। অন্যদিকে, এই প্রজন্মের জনপ্রিয় গায়ক ইমরান প্রায় দেড় মাসের মতো রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যে তিনি কনসার্ট করছেন। ইমরানের মতো একই সময়ে একই আয়োজনের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে কনসার্টে অংশ নিচ্ছেন কনা ও ঝিলিক। কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীরও রয়েছেন মার্কিন মুলুকে।
সেখানে কনসার্ট করছেন তিনিও। এর আগেই এই দেশটিতে গেছেন শাহনাজ বেলী। তিনিও ফোবানাসহ বিভিন্ন কনসার্টে অংশ নিচ্ছেন। একইভাবে সংগীতের দুই বোন সামিনা চৌধুরী ও ফাহমিদা নবীও আমেরিকা-কানাডায় নিয়মিত কনসার্ট করছেন। এদিকে, ক’দিন আগেই ইউরোপ সফর থেকে দেশে ফিরেছেন কণ্ঠশিল্পী সালমা। অন্যদিকে, আমেরিকার দীর্ঘ ট্যুর শেষ করেছেন আরেক কণ্ঠতারকা প্রীতম হাসান।
পাশাপাশি তার বড় ভাই প্রতীক হাসান এরইমধ্যে মার্কিন মুলুকে থিতু হয়েছেন পরিবারসহ। সবমিলিয়ে দেশের শিল্পীদের বিদেশে কনসার্ট করার প্রবণতা বেড়েছে। অনেকে আবার আমেরিকা কিংবা কানাডাতে থিতু হওয়ারও পরিকল্পনা করছেন। কারণ দেশে একদিকে যেমন শিল্পীদের কনসার্টের সংখ্যা কমছে, পাশাপাশি কমছে গানের সংখ্যাও। তাই শিল্পীদের ভেতর বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।
