পারলেন না মারুফারা, শ্রীলঙ্কার কাছে শেষ ওভারে হার বাংলাদেশের

পারলেন না মারুফারা, শ্রীলঙ্কার কাছে শেষ ওভারে হার বাংলাদেশের

ফন্ট সাইজ:

মারুফা আক্তার ও সুলতানা খাতুনের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও বাংলাদেশ পারেনি, আক্ষেপটা এখানেই। ব্যাটিংয়ে ভালো শুরুর পরও স্কোরটা বড় হলো না। তবে বল হাতে লড়াইটা ছিল চোখে পড়ার মতো। এমনকি এক সময় জয়ের গন্ধও পাওয়া যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নটাই ভেঙে দিলেন হাশিতা সামারাবিক্রমা। ব্যাট হাতে শেষ দিকে তোলা তাঁর ঝড়েই এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠল শ্রীলঙ্কা।


সেমিফাইনালে যেতে তাই এখন শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের সামনে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নারী এশিয়া কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিং করে ১১৪ রান করে টাইগ্রেসরা। জবাবে ৪ বল হাতে রেখেই জয় পেয়ে যায় লঙ্কান নারীরা।


রান তাড়ায় পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আত্তাপাত্তুকে ফিরিয়ে দেন মারুফা, স্লিপে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন ফাহিমা খাতুন। তৃতীয় ওভারে দ্বিতীয় শিকার ধরেন মারুফা, এবার ফেরান ইমেশা দুলানিকে। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সঞ্জনা কাভিনদিকে ফিরিয়ে দেন স্পিনার সুলতানা খাতুন।


পরের ৪ ওভারে আরও ২ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ৪৪ রানে লঙ্কানদের ৫ উইকেট পড়ার পর এক পর্যায়ে বাংলাদেশের জয় সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। কিন্তু এরপর ষষ্ট উইকেট জুটিতে নিলাকসিকা সিল্ভাকে নিয়ে ৩৮ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে দেন হারশিতা সামারাবিক্রমা।

যদিও ১৭তম ওভারে আক্রমণে ফিরে তাদের জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন মারুফা। শেষ ৩ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় ২৯ রানের। ১৮তম ওভারে ১৬ রান খরচ করে ম্যাচ বিলিয়ে দেন রিতু মনি। পরের ওভারে ১১ রান দেন নাহিদ আক্তার। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলেই জয় পেয়ে যায় লঙ্কানরা। বাংলাদেশের হয়ে ২১ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন মারুফা।


এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুটা ভালো পায়। তবে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে জুয়ারিয়ারা ফেরদৌস ফেরার পর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। ১০ বলে ১৪ রান করেন ফেরদৌস। পরের ওভারে আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার, তার ব্যাট থেকে আসে ২৬ বলে চার চারে ২৬ রান।

চার নম্বরে নেমে টিকতে পারেননি অধিনায়ক জ্যোতি, ৪ রান করতে খেলেন ৯ বল। এরপর স্বর্ণা আক্তার ও রিতু মনিও দ্রুত ফিরলে মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ে। শেষদিকে ফাহিমা আক্তার ১৩ বলে ১৪ রান করেন। আর এক প্রান্ত আগলে রেখে ৪১ বলে ৩৪ রান করেন সোবহানা মোস্তারি।