সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার নগরীর মদীনা মার্কেটস্থ একটি মিলনায়তনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের নাম ঘোষণা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি। মহানগর জামায়াতের থানা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের দুইদিনব্যাপী শিক্ষা শিবিরের সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন এটিএম আজহারুল ইসলাম। এ সময় তিনি ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের পক্ষে কাজ করতে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ.টি.এম. আজহারুল ইসলাম বলেন, সিলেট নগরবাসীর নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া এবং সিলেট সিটিকে একটি ইনসাফভিত্তিক, আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কেন্দ্র থেকে ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
একজন জনপ্রতিনিধি শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন না; তিনি জনগণের অধিকার, নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্বও পালন করেন। তাই জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীর সততা, মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিক চরিত্র ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তিনি ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি, সততা ও যোগ্যতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার নেতৃত্বে সিলেট সিটি করপোরেশনকে একটি জনকল্যাণমুখী ও আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে।
তিনি বাবুলের সততা, মেধা, যোগ্যতা ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বার্তা নগরীর প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় শিক্ষাশিবিরে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ মিফতাহুদ্দীন ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, জেলা জামায়াত নেতা ও সাবেক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ প্রমুখ। প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর উপস্থিত দায়িত্বশীলদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে সিসিকের প্রতিটি ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ জোরদার করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
