পার্বত্য এলাকার সম্প্রীতি অটুট রেখে সুষম উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: হেলাল

পার্বত্য এলাকার সম্প্রীতি অটুট রেখে সুষম উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: হেলাল

ফন্ট সাইজ:

পার্বত্য এলাকার সম্প্রীতিকে সবার উপরে রেখে সকল জাতিগোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সুষম উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। বৃহস্পতিবার সকালে একদিনের সরকারি সফরে বান্দরবানে এসে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাসী। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বান্দরবান এমডিএস হাসপাতাল ব্লক ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয়তলা নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। একইসঙ্গে হাসপাতাল ভবনের তৃতীয়তলা নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ ছাড়া বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয়তলা ছাত্রাবাস ভবনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে জেলার কৃষকদের মধ্যে ১৫টি পাওয়ার টিলার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৭ সেট ইলেকট্রনিক শিক্ষা উপকরণ এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। এসব উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে মোট প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। পাশাপাশি তিনি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে পাওয়ার টিলার ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান খান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ আহাম্মদ, বান্দরবান উন্নয়ন বোর্ডের ইউনিট অফিসার আবু বিন ইয়াছির আরাফাতসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।