জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

ফন্ট সাইজ:

দক্ষিণ ইরানের লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর জর্ডানে অবস্থিত দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। রোববার ইরানের বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ‘আগ্রাসীর শাস্তি’ নামে পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় জর্ডানের কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা হয়। দুই পক্ষের মধ্যে জুলাইয়ের পর এটাই প্রথম বড় ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।

আইআরজির দাবি, তাদের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কারিগরি ও মেরামত অবকাঠামো, শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের স্থান ধ্বংস হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর জর্ডান জানায়, তারা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। জর্ডানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, সোমবার ভোরে কিংডমের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করা হয়েছে। তবে দুটি ঘাঁটির কোনোটিতেই হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার আরও এক ঘটনায় আইআরজিসি দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির ওপর একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করেছে তারা। ইরানের ফার্স ও মেহর সংবাদ সংস্থা আইআরজিসির একটি বিবৃতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হরমুজ প্রণালির ওপর একটি দূরপাল্লার মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিহত করে। পরে ড্রোনটি উপসাগরে পড়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তেহরান যুদ্ধ চায় না। তবে কোনো আগ্রাসনের মুখে কখনোই চুপ করে বসে থাকবে না।