শরীয়তপুরের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ফন্ট সাইজ:

ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খানকে মারধরের অভিযোগে শরীয়তপুরের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হুমায়ুন কবীরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খান ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে মামলার আবেদন করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন।

পরে কোতোয়ালি থানা মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে। বাদী এডভোকেট মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খান বলেন, মামলার ২নং আসামি হুমায়ুন কবিরসহ তার ভাড়াটে ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী আমার ওপর ও আমার ক্লায়েন্টের ওপর হামলা করে। আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় একজন আইনজীবীর ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করার জোর দাবি জানাই। মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলো- উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, মো. আশরাফুল আলম খান, মাহাবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান, মো. মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম ও আরমান হোসেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৫শে আগস্ট দুপুর পৌনে ১২টার দিকে যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলায় আসামিপক্ষের হয়ে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী মোহাইমিনুল ইসলাম খান। পরে মক্কেলদের সঙ্গে নিয়ে চেম্বারে ফেরার সময় সিএমএম আদালতের হাজতখানার সামনে তার ওপর হামলা চালানো হয়। বাদীর অভিযোগ, প্রথম চার আসামির মদতে ভাড়াটে লোকজন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়।

এ সময় হামলাকারীরা তার মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল-ঘুষি ও লাথি মারে। চিৎকার শুনে আদালত প্রাঙ্গণে থাকা আইনজীবী ও সাধারণ লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে পলাতকরা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের তৃতীয় তলায় প্রবেশ করে। সেখানে তারা ফের অতর্কিত হামলা চালায়।