জয়ে শুরু মরিনহোর দ্বিতীয় ইনিংস

এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক

জয়ে শুরু মরিনহোর দ্বিতীয় ইনিংস

ফন্ট সাইজ:

১৩ বছর পর আবার রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হয়ে বার্নাব্যুতে ফিরলেন হোসে মরিনহো। আর তার প্রথম ম্যাচেই দলকে জেতালেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, করলেন হ্যাটট্রিক। বুধবার রাতে ঘরের মাঠে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।

তবে ম্যাচের শুরুটা ভালো ছিল না রিয়ালের জন্য। প্রথমার্ধে দলের খেলা ছিল এলোমেলো, যা দেখে মাঠের দর্শকরাও দুয়ো দিতে শুরু করেন। ১০ ও ৩৪ মিনিটে সোসিয়েদাদের দুটি ভালো সুযোগ ছিল, কিন্তু গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া দারুণ সেভ করে দলকে বাঁচান।

৪০ মিনিটে প্রথম গোল করেন এমবাপে। ফেদে ভালভার্দের বাড়ানো বল ধরে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল করেন তিনি। কিন্তু এই আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি। মাত্র চার মিনিট পর, ৪৪ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান সোসিয়েদাদের লুকা সুচিচ। ১-১ গোলে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর খেলার চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। কোচ মরিনহো নতুন খেলোয়াড় মার্ক কুকুরেয়াকে মাঠে নামানোর পর রিয়ালের আক্রমণ আরও ধারালো হয়ে ওঠে। ৬০ মিনিটে জুড বেলিংহামের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপে, যা এনে দেয় দলের লিড।

এর আট মিনিট পর, অর্থাৎ ৬৮ মিনিটে বল কেড়ে নিয়ে ভিনিসিউস জুনিয়রকে সহজ পাস বাড়ান বেলিংহাম, আর সেখান থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন ভিনিসিউস। এরপর ৮০ মিনিটে ভিনিসিউসের পাস থেকেই গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান এমবাপ্পে—পূর্ণ হয় তার হ্যাটট্রিক।

ম্যাচ শেষে প্রথমার্ধে দর্শকদের দুয়ো দেওয়া নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি মরিনহো। উল্টো তিনি বলেন, "সমর্থকরা কিছুটা দুয়ো দিলে খারাপ কিছু হয় না, বরং এতে দল আরও ভালো খেলতে অনুপ্রাণিত হয়। বার্নাব্যু কেমন জায়গা তা আমরা সবাই জানি। বিরতির পর খেলোয়াড়রা যেভাবে ফিরে এসেছে, তাতে আমি অনেক খুশি।"

এমবাপে সম্পর্কে মরিনহো বলেন, "ছেলেটা সত্যিই অসাধারণ। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে বড় কিছু করার তীব্র ইচ্ছা আমি তার মধ্যে দেখতে পাই।"​