সিউকের যাত্রা শুরু

ফন্ট সাইজ:

আনুষ্ঠানিকভাবে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের যাত্রা শুরু হয়েছে। দুপুরে ফিতা কেটে কার্যক্রম শুরু করেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীরা। নাইওরপুল এলাকার হোটেল ফরচুন গার্ডেনে সিউকের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন- বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এমপি। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন একটি সরকারি সংস্থার যাত্রা শুরু হওয়া সিলেটবাসীর জন্য আনন্দের বিষয়। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে সরকারের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি নগরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলে উন্নয়ন কাজই অনেক সময় নতুন সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

‘সিউকের রাজস্ব খাতে ৬৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ৭১৪টি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব পদের যৌক্তিকতা, বেতন স্কেল, নিয়োগযোগ্যতা নির্ধারণ ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে স্থায়ী ও আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থায়ী দপ্তরের জন্য জমি পেতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

পাশাপাশি অস্থায়ী কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। সিউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরের জন্য মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পাশাপাশি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ এবং সিউক আইন ২০২৩ অনুযায়ী প্রকৌশলী, স্থপতি ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদেরও তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিত্যক্ত বা অবৈধ দখলে থাকা জমি উদ্ধার করে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।