ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা খাদ্য গুদামের (এলএসডি) ধারণক্ষমতা কম থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় চাল কল মালিক (মিলার) ও খাদ্য ডিলাররা। উপজেলা জুড়ে বিপুলসংখ্যক অটো ও ড্রায়ার রাইস মিল থাকলেও একমাত্র সরকারি খাদ্য গুদামটির ধারণক্ষমতা মাত্র ৫০০ টন। ফলে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ধান-চাল সংগ্রহ ও খাদ্য বিতরণে তীব্র জটিলতা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খাদ্য গুদামের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর খাদ্য বিভাগের নিজস্ব ৫০ শতাংশ জমির ওপর ৫০০ টন ধারণক্ষমতার এই তারাকান্দা এলএসডি গুদামটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে উপজেলায় চালের উৎপাদন কয়েক গুণ বাড়লেও গুদামের পরিধি বাড়েনি। তারাকান্দা উপজেলায় অটো ও ড্রায়ার রাইস মিলের সংখ্যা বেশি হওয়ায় ধান-চাল সংগ্রহের মৌসুমে সরকারি গুদামে জায়গা সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। গুদামের স্থান সংকুলান না হওয়ায় নিয়মিত চাল খালাস ও মজুত করা সম্ভব হচ্ছে না। খাদ্য সরবরাহ ও বিতরণের সময় পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ডিলারদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। তারাকান্দা এলএসডি’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, এলএসডি) শাকিল আহমেদ জানান, খাদ্য গুদামটি ৫০ শতাংশ জমির ওপর অবস্থিত। তবে গুদাম সম্প্রসারণ করতে হলে নতুন অবকাঠামো ও অতিরিক্ত জায়গার বরাদ্দ প্রয়োজন।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের মতে, খাদ্য বিভাগের নিয়ন্ত্রণে থাকা ৫০ শতাংশ জমির পুরোটা সঠিকভাবে ব্যবহার করে নতুন ভবন নির্মাণ করা হলে সহজেই ধারণক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। দ্রুততম সময়ে বিদ্যমান জায়গায় নতুন গুদাম নির্মাণ করা হলে সরকার, স্থানীয় মিলার ও ডিলারÑসব পক্ষই উপকৃত হবে।
