চট্টগ্রামে তাহসিন হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনকে শ্যোন অ্যারেস্ট

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার শমসের পাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে আফতাব উদ্দিন তাহসিনকে গুলি করে হত্যা মামলায় চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সাত্তারের আদালত এ আদেশ দেন। মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন (২৫) ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মো. মুসার ছেলে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নগরের শমসের পাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে আফতাব উদ্দিন তাহসিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মুসা বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেনকে। অন্য আসামিরা হলেন সাজ্জাদের সহযোগী মো. হাসান, মোহাম্মদ, খোরশেদ ওরফে খালাত ভাই খোরশেদ এবং মো. হেলাল। তাহসিন ইট ও বালুর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ব্যবসার জন্য আনা বালু ও ইট নগরের শমসের পাড়ার উদুপাড়া এলাকায় রাখতেন তিনি।

জানা যায়, ঘটনার দিন বিকাল সোয়া ৪টার দিকে মজুতের জন্য সেখানে এক ট্রাক বালু আনা হয়। এ কারণে তাহসিন সেখানে যান। কিছুক্ষণ পর সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন সহযোগীদের নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে সেখানে আসে। পরে তারা তাহসিনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিসি (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের আফতাব উদ্দিন তাহসিন হত্যা মামলায় মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেছেন। ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে সিএমপিতে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় পর্যায়ক্রমে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করা হবে। এর আগে গত ২৯শে জুলাই যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৩ই জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য ও ধারাবাহিক গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ৩০শে জুলাই ভোরে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দু’টি দেশীয় এলজি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।