মৌলভীবাজারে মিলাদ কিয়াম নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফন্ট সাইজ:

‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’ বলা ও মিলাদ-কিয়াম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এবং মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর শানে অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে দলিলভিত্তিক বাহাসের জন্য ১০ লাখ টাকার চ্যালেঞ্জ দেয়া হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আশিকানে মোস্তফা (সা.) মৌলভীবাজারের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সংগঠক গোলাম মাওলা আহাদের সভাপতিত্বে ও মো. নাফিউল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মাওলানা মিজানুর রহমান জাহেরী, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মাসুক, মাওলানা নেছার আহমদ চট্টগ্রামী, মাওলানা আহমদ হোসাইন চৌধুরী শ্রীমঙ্গলী, মাওলানা বেলাল উদ্দিন কামরান ও আহমদ আলী।

মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মাসুক তার বক্তব্যে বলেন ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’ বলা যাবে না বৈধতা নিয়ে আপত্তির বিষয়ে দলিলভিত্তিক আলোচনার জন্য ১০ লাখ টাকার চ্যালেঞ্জ দেয়া হয়েছে। প্রশাসনের উপস্থিতিতে উভয়পক্ষকে নিজ নিজ দলিল নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের দলিল নিয়ে আসবেন। আমরা আমাদের দলিল নিয়ে আসবো। যদি আমরা বাহাসে হেরে যাই তাহলে আমরা ইয়া নবী সালামু আলাইকা বলবো না- ওয়াদা দিলাম। মৌলভীবাজারে কওমি ও সুন্নি ওলামায়ে কেরামের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ কখনো নবী (সা.) নিয়ে বিরোধ করেনি। এ সম্পর্কের উদাহরণ হিসেবে জেলা ইমাম সমিতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি জেলা মডেল মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত একটি মানববন্ধনে দেয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মাসুক অভিযোগ করেন সেখানে মহানবী (সা.)-এর শানে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো সুরাহা না হওয়ায় মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসায় তারা ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’র পক্ষে মাঠে নেমেছেন বলে জানান তিনি। মানববন্ধন শেষে হাফিজ মাওলানা মুজাম্মিল আহমদ মিলাদ পরিচালনা করেন ও হাফিজ আব্দুর রশীদ দোয়া পরিচালনা করেন। দোয়া শেষে শিরনি বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।