খানাখন্দে ভরা লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী মহাসড়ক

খানাখন্দে ভরা লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী মহাসড়ক

ফন্ট সাইজ:

খানাখন্দে ভরা লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়ক। চন্দ্রগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপুর অংশ পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহন। ৩০ মিনিটের পথ যেতেই লাগে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। ফলে চরম ভোগান্তিতে থাকা মানুষ দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী। জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়কের চন্দ্রগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপুর সদর পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার সড়কের অধিকাংশেই খানাখন্দ। সড়ক জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কোথাও জমে আছে পানি, কোথাও কাদা আর ময়লা-আবর্জনা। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনয়ত চলাচল করছে সবধরনের যানবাহনের। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে লক্ষ্মীপুর থেকে চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কে যেতে স্বাভাবিকভাবে যেখানে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে এখন প্রায় চারগুণ সময় লাগছে। আবার অনেক সময় সড়কে যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন আটকে থাকতে হয়।

গত তিনমাসে ১৫টি দুর্ঘটনায় হতাহত হয়েছে ২০ জন। প্রকল্পের কাজের সঙ্গে সঙ্গে অন্তত সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও কোনো নিয়ম মানা হচ্ছে না। দিনে একাধিকবার পানি ছিটানোর কথা থাকলেও তা করছেন না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে খানাখন্দের পাশাপাশি ধুলায় মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

এ ছাড়া অনেক অনিয়মের অভিযোগও করেছেন অনেকেই। ঠিকমতো বালু ও ইটের কনা যেভাবে দেয়ার কথা, সেটা না দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ করা হচ্ছে। কোন মনিটরিং করা হচ্ছেনা। যাত্রী ও সাধারণ মানুষ ও চালকদের অভিযোগ, চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক। সড়কের বেশির ভাগ জায়গা বড় বড় গর্তের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্রুত সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তোলার দাবি সবার। লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কটি চারলেনে রূপান্তরের কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের তাগিদ দিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী। এ ছাড়া কোনো অনিয়ম হলে সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।