২০১৯ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমস’র সবশেষ আসর। দুই বছর পর পর এই গেমস হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। বিশেষ করে পাকিস্তান একের পর এক সময় ক্ষেপণ করেছে। সবশেষ ২০২৬ সালে এই গেমস হওয়ার কথা ছিল। এজন্য বাংলাদেশের ফেডারেশনগুলো অনুশীলন শুরু করেছিল। শেষ পর্যন্ত গেমস না হওয়ায় ফেডারেশন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০২৭ সালের ২৩-৩১ মার্চ পাকিস্তানে এসএ গেমসের সূচি ঠিক করে সভা ডাক আয়োজকরা। সেখানেও পাল্টে যায় সূচী। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সূচি চূড়ান্ত করেছে সাউথ এশিয়ান অলিম্পিক কাউন্সিল (এসএওসি)। নতুন নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী প্রতিযোগিতা গড়াবে আগামী বছরের ৩ থেকে ১১ এপ্রিল। ইসলামাবাদে গতকাল এসএওসির নির্বাহী কমিটির সভায় গেমসের সূচি ও আয়োজনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পাকিস্তান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (পিওএ) সভাপতি আরিফ সাঈদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। ভারতের প্রতিনিধিরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন। ১৪তম এসএ গেমসের এবারের আসরে পুরুষদের ২৮টি এবং নারীদের ২৫টি ডিসিপ্লিন হবে। সব মিলিয়ে ৩৪৬টি সোনার পদকের জন্য লড়বেন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ক্রীড়াবিদেরা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রতিযোগী দেশগুলোর ৪ হাজার ২০০’র বেশি ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তা গেমসে অংশ নেবেন।
ইসলামাবাদ হবে এবারের গেমসের মূল কেন্দ্র। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও হবে পাকিস্তানের রাজধানীতে। লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী অনুষ্ঠান। পেশোয়ারেও থাকছে বিভিন্ন খেলার প্রতিযোগিতা। সভায় পাকিস্তানের গেমস আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রতিযোগিতার ভেন্যু, আবাসন, যাতায়াত, লজিস্টিকস এবং তিন শহরে ইভেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়। তারিখ ও অন্যান্য প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ায় এখন প্রস্তুতির কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।
