দার্জিলিং এলাকার রাজনৈতিক সমস্যার ‘স্থায়ী সমাধানের’ লক্ষ্যে কমিটি গঠন

ফন্ট সাইজ:

দার্জিলিং ও সংলগ্ন এলাকার রাজনৈতিক সমস্যার ‘স্থায়ী সমাধানের’ লক্ষ্যে মধ্যস্থতার জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি কমিটি। শনিবার শিলিগুড়িতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বৈঠকে তৈরি করা কমিটির শীর্ষে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে রাখা হয়েছে সাবেক বিএসএফ প্রধান পঙ্কজকুমার সিংহকে। গত বিধানসভা ভোটের আগেও সাবেক ওই আইএএস আধিকারিককে সাময়িকভাবে ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল।
সরকারি সূত্রে খবর, মধ্যস্থতাকারীর তত্ত্বাবধানে ওই নতুন কমিটি পাহাড়ের বিভিন্ন আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সর্বোপরি পাহাড়ের সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবে। তাদের সকলের দাবিদাওয়া, সুবিধা-অসুবিধার কথা রিপোর্ট আকারে নজমা দেবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

বৈঠকের পর সন্তোষ প্রকাশ করেছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুং থেকে গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেল ফ্রন্ট বা জিএনএলএফের সভাপতি মন ঘিসিংরা।
উত্তরবঙ্গ সফরের শেষ দিন শনিবার পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার ‘স্থায়ী সমাধানের’ লক্ষ্যে এই বৈঠক হয়েছে। ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তা ছাড়া গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান বিমল থেকে রোশন গিরি, জিএনএলএফ সভাপতি মন নঘিসিং সহ পাহাড়ের নেতারা বৈঠকে ছিলেন। এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। দীর্ঘ বৈঠকের পর পাহাড়ের নেতারা বলেছেন, স্থায়ী সমস্যা সমাধানে অন্তত প্রথম ধাপ পার করা গিয়েছে।

বৈঠক শেষে দার্জিলিঙের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তা বলেছেন, গোর্খাদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি ছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব তাদের মনের কথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন। মুখ্যমন্ত্রীও নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। সবটা শুনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সমাধানের রাস্তা বলেছেন।
তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলেও কেন্দ্রীয় সরকার পাহাড়ে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করেছিল। কিন্তু তাকে সহযোগিতা করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল। অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল জিটিএ-এর তৎকালীন চিফ এগজিকিউটিভ অনীক থাপার দিকেও। আবার সেই মধ্যস্থতাকারীকেই নিয়োগ করেছেন শাহ।