অস্ট্রেলিয়া থেকে অবসর নেয়ার পর পর্তুগালের হয়ে সেঞ্চুরি

অস্ট্রেলিয়া থেকে অবসর নেয়ার পর পর্তুগালের হয়ে সেঞ্চুরি

ফন্ট সাইজ:

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৪ টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা তার। ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ঘরোয়া ক্রিকেট মিলিয়ে খেলেছেন তিনশ’র বেশি ম্যাচ। অবশেষে এই সংস্করণে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন ময়জেস হেনরিকেস। সেটিও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেই। তবে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে নয়, তার নতুন পরিচয়ে।
৩৯ বছর বয়সী সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন জন্মভূমি পর্তুগালের হয়ে। পর্তুগাল দলের অধিনায়কও তিনি। নিজের নতুন দলের হয়েই হেনরিকেস খেললেন ৫১ বলে ১১১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস ।

বৃহস্পতিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাব রিজিওনাল ইউরোপ কোয়ালিফায়ার সি-তে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে এই ইনিংসে ১২টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন হেনরিকেস। ৩০৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার আগের সর্বোচ্চ ছিল ৭৭। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোযা টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশ লীগে ২০১৫ সালে ইনিংসটি খেলেছিলেন সিডনি সিক্সার্সের হয়ে। হেনরিকেসের ঝড়ো শতরানে ২০ ওভারে পর্তুগাল তোলে ২১১ রান। চেক প্রজাতন্ত্র ৮.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪ রান তোলার পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতিতে ৯১ রানে জেতে পর্তুগাল। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে হেনরিকেসের অভিষেক ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে। শেফিল্ড শিল্ডে পা রাখেন ওই বছরের অক্টোবরে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন ৪টি টেস্ট, ১৬ ওয়ানডে ও ২৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টিতে বিগ ব্যাশে ১৫ মৌসুম খেলার পাশাপাশি তিনি আইপিএলে খেলেছেন আট মৌসুম।

খেলেছেন টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট ও মেজর লীগ ক্রিকেটেও। গত মাসে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন হেনরিকেস। পর্তুগালের হয়ে তার খেলার ঘোষণা আসে দিন দশেক আগে। নতুন দলের হয়ে তিন ম্যাচ খেলে সবক’টিতে জয় দেখেছেন হেনরিকেস। প্রথম ম্যাচটি খেলেন গত ১৪ই আগস্ট। ইসরাইলের বিপক্ষে সেদিন অপরাজিত থাকেন ৩৯ বলে ৬৬ রানে। পরের ম্যাচে জার্মানির বিপক্ষে আউট হয়ে যান ১ রানে।