ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হয়েছিলেন এমপি প্রার্থী। ভোট পেয়েছেন দুই শতাধিক। এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে চান-এমন দাবি করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী সাইফুল আলম ফুয়াদ। রিটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনের দু’টি ধারা চ্যালেঞ্জ করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন। বুধবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশে রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেয়া হয়। আবেদনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ না করায় আজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে কোনো বাধা নাই।
এর আগে গত ১৮ই আগস্ট এ বিষয়ে আরেকটি রিট খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। জাতীয় সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে আসন শূন্য হওয়ার বিধান সংক্রান্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। আদালতে তার পর্যবেক্ষণে বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার জাতীয় সংসদের। এই রিট আবেদনে কোনো সারবত্তা নেই। তবে রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন।
গতকাল আইনজীবী সাইফুল আলম ফুয়াদ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু বিজয়ের মুখ দেখতে পারেননি। ভোট পেয়েছেন ২৬২টি। তার দাবি, ওই আসনে বিজয়ী প্রার্থী পরাজিত সাতজন প্রার্থীর মোট ভোটের চেয়ে ১২ হাজার ভোট কম পেয়েছেন। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকেও ভোট দেয়ার সুযোগ দিতে হবে। শুনানিতে এমন যুক্তির বিরোধিতা করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এটা হাস্যকর ও ভিত্তিহীন। মিডিয়া প্রচারণা পেতেই এমন রিট করা হয়েছে। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন।
