ইয়েমেনের মোখা বন্দরে বড় ধরনের হামলা হয়েছে। হামলাটি চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। সেখানে ২৫টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। ক্ষতি হয়েছে প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ ডলারের সম্পদ। এমন পরিস্থিতিতে লোহিত সাগর তীরের এই গুরুত্বপূর্ণ বন্দরটির সব ধরনের বাণিজ্যিক ও নৌ-কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দর পরিচালক জানান, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বন্দরের অবকাঠামো ও নোঙর করা জাহাজ লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবারও মোখা শহর লক্ষ্য করে ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। তবে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, মোখা বন্দরে থাকা সৌদি সামরিক অবস্থান, অস্ত্রাগার ও তাদের মিত্রদের সামরিক নৌযান লক্ষ্য করে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছিল। এদিকে মধ্য ইয়েমেনের সরকার-নিয়ন্ত্রিত মারিব শহরেও দফায় দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতিরা।
এতে আবাসিক এলাকা ও একটি বেকারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলের তায়েজে পাল্টা হামলায় তিন হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকারি বাহিনী। চলতি আগস্টের শুরু থেকে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি তীব্র সংঘাতে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ফলে ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর ইয়েমেন আবারও পূর্ণমাত্রার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
