গাজীপুরের কালীগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির সময় বাধা দিলে ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এ সময় নিহতের স্বামী মঞ্জুরুল ইসলাম ও ১৬ বছর বয়সী মেয়ে মিম গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল মধ্যরাতে উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের মঠবাড়ি তেতুইবাড়ি এলাকার নগরভেলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ কামরুন আক্তার (৩৫) ওই গ্রামের রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী মঞ্জুরুল ইসলামের স্ত্রী।
আহতরা হলেন, মঞ্জুরুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে সানজিদা আক্তার মিম (১৬)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঞ্জুরুল বাড়িতে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন এবং গত বৃহস্পতিবার ব্যাংক থেকে ২০ লাখ টাকা তুলে বাড়িতে রাখেন। শুক্রবার মধ্যরাতে গেটের তালা ভেঙে পাঁচ-ছয়জনের একদল ডাকাত ঘরে ঢুকে আলমারি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করার সময় বিষয়টি টের পান কামরুন। এ সময় তিনিসহ তার স্বামী ও মেয়ে ডাকাতদের বাধা দিলে ডাকাতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত কামরুন আক্তারকে স্থানীয় ডিভাইন মার্সি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের প্রধান ডা. মো. শাহাদাৎ হোসাইন তুহিন বলেন, রাত সোয়া ৪টার দিকে কামরুন আক্তারকে হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথা ও বুকের নিচে গভীর জখম ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। মঞ্জুরুল ও তার মেয়েকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই স্বজনেরা ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান। কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, দুর্বৃত্তরা ডাকাতবেশে এসে এই হামলা চালিয়েছে।
