৩রা অক্টোবর ব্রাজিলের বিপক্ষে কলকাতায় ম্যাচ খেলবে ভারত। ফিফা ফ্রেন্ডলি ওই ম্যাচকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে আসিয়ান কাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারত। তাদের নাম প্রত্যাহারে ফিফার অর্থায়নে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে অংশ হওয়ার পথে বাংলাদেশ। শেষ মুহূর্তে পাওয়া আমন্ত্রণ গ্রহণের ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের দিকেই এগিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। গতকাল বিকালে জাতীয় দল কমিটির বিশেষ সভায় টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত কমিটির সদস্যরা বাংলাদেশকে আসিয়ান কাপে পাঠানোর ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছেন। এখন ফিফার নিশ্চয়তার অপেক্ষা। বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা, এ নিয়ে বাফুফেকে বাড়তি আর্থিক চাপ নিতে হচ্ছে না। আয়োজকদের পক্ষ থেকেই অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসনের খরচ বহন করা হবে।
টুর্নামেন্টের জন্য দলগুলোকে অর্থও দেয়া হবে। ২৪শে সেপ্টেম্বর থেকে ৪ঠা অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় হবে টুর্নামেন্টের ডিভিশন-১। অংশগ্রহণকারী আট দলকে দু’টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপে চারটি করে দল। ভারতের জায়গায় বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। এই টুর্নামেন্টের ফরম্যাটেও রয়েছে ভিন্নতা। গ্রুপ পর্ব শেষে দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি খেলবে ফাইনালে। শুধু শিরোপার লড়াইয়েই শেষ নয় প্রতিযোগিতা। দুই গ্রুপের রানার্সআপ দল খেলবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। দুই গ্রুপের তৃতীয় হওয়া দলগুলো মুখোমুখি হবে পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। আর গ্রুপে চতুর্থ হওয়া দল দু’টি খেলবে সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। তাই টুর্নামেন্টে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে আসিয়ান কাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করেছে তারা। ফলে ফিফার নতুন এই টুর্নামেন্টে ভারতের ফাঁকা জায়গায় বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে।
