বাংলাদেশে আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট একিউআইএস সক্রিয় সেল বা ছোট সাংগঠনিক ইউনিট গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, এমন আশঙ্কার খবর নিঃসন্দেহে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার মতো। কিন্তু এ ধরনের সতর্কবার্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাঠ আতঙ্ক নয়; বরং আগাম প্রস্তুতি। কারণ ‘সেল গঠনের চেষ্টা’ এবং ‘একটি কার্যকর সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে’ দুটি একেবারেই ভিন্ন বিষয়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো এই ব্যবধানটিকে বুঝে হুমকি তৈরি হওয়ার আগেই তা প্রতিহত করা।
জাতিসংঘের আল-কায়েদা ও আইএস-সংক্রান্ত স্যাংশনস মনিটরিং ব্যবস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নগুলোতে দক্ষিণ এশিয়ায় একিউআইএসের বিস্তার নিয়ে আগেও উদ্বেগের কথা এসেছে। ২০২৩ সালের ৩২তম প্রতিবেদনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মূল্যায়নের ভিত্তিতে বলা হয়েছিল, আল-কায়েদা একিউআইএসকে বাংলাদেশ, ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এবং মিয়ানমারে কর্মকাণ্ড বিস্তারের উপযোগী আঞ্চলিক কাঠামো হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে।
অর্থাৎ বাংলাদেশকে একিউআইএসের সম্ভাব্য আগ্রহের ক্ষেত্র হিসেবে দেখার বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। বরং সাম্প্রতিক সতর্কতার গুরুত্ব হলো, জঙ্গি সংগঠনগুলোর কৌশল বদলেছে।
আগের যুগে সন্ত্রাসী সংগঠন মানেই ছিল বড় ক্যাম্প, বড় প্রশিক্ষণ কাঠামো, দৃশ্যমান নেতৃত্ব ও ব্যাপক জনবল। এখন সেই মডেল অনেকটাই বদলে গেছে। ছোট সেল, সীমিত যোগাযোগ, অনলাইন প্রচারণা, গোপন অর্থায়ন, বিচ্ছিন্ন সদস্য এবং স্থানীয় সহযোগিতার মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা সম্ভব। বড় কোনো সংগঠন চোখে পড়ার আগেই কয়েকটি ছোট সেল নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করে ফেলতে পারে। ফলে নিরাপত্তার ভাষায় ‘ছোট’ মানেই ঝুঁকি ‘ছোট’ নয়।
একিউআইএসের ইতিহাসও এ ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার যথেষ্ট কারণ তৈরি করে। সংগঠনটি ২০১৪ সালে আত্মপ্রকাশের পর দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের কর্মকাণ্ডের পরিধি বিস্তারের কথা জানিয়েছিল। বাংলাদেশও তাদের ঘোষিত আগ্রহের এলাকার মধ্যে ছিল। অতীতে বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ লেখক, ব্লগার ও অধিকারকর্মীদের ওপর হামলার সঙ্গে একিউআইএস-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের নাম এসেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সন্ত্রাসবাদবিষয়ক প্রতিবেদনে একিউআইএসকে বাংলাদেশে একাধিক হামলার দায় স্বীকারকারী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য করা দরকার। অতীতের হামলা বা সংগঠনের ঘোষিত লক্ষ্য থেকে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে একটি সক্রিয় একিউআইএস নেটওয়ার্ক রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে সরাসরি পৌঁছে যাওয়া ঠিক হবে না। নিরাপত্তা বিশ্লেষণে প্রমাণ, গোয়েন্দা তথ্য এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এই জায়গাটিই এখন বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
বাংলাদেশ গত এক দশকে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় যে সক্ষমতা অর্জন করেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। হলি আর্টিজান হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। অনেক সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সন্ত্রাসী সংগঠন দমন মানেই হুমকি চিরতরে শেষ হয়ে যাওয়া নয়। একটি নেটওয়ার্ক ভেঙে যাওয়ার পর তার আদর্শ, যোগাযোগের সূত্র কিংবা বিচ্ছিন্ন সদস্যরা অন্য নামে বা অন্য কাঠামোয় ফিরে আসতে পারে। এখন তাই প্রশ্ন হওয়া উচিত বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?
প্রথমত, গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় বাড়াতে হবে। সন্ত্রাসবাদ এখন আর শুধু পুলিশের বিষয় নয়। গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী প্রতিষ্ঠান, আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট এবং সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও কার্যকর হওয়া দরকার।
দ্বিতীয়ত, অনলাইন জগতকে গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমান সময়ে একজন তরুণ কোনো জঙ্গি সংগঠনের সদস্য হওয়ার আগে তার সঙ্গে সংগঠনটির শারীরিক যোগাযোগ নাও থাকতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ, ভিডিও, অডিও, ডিজিটাল পুস্তিকা এবং নানা ধরনের প্রচারসামগ্রী দিয়ে ধীরে ধীরে একটি মানসিক জগৎ তৈরি করা হয়। সেই জগতের বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন শিক্ষাব্যবস্থা, পরিবার, সমাজ ও প্রযুক্তিগত নজরদারির সমন্বিত উদ্যোগ।
তৃতীয়ত, অর্থের পথ অনুসরণ করতে হবে। ছোট সেল চালাতে বড় অর্থের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু অর্থের উৎস, স্থানান্তরের ধরন এবং সহযোগী নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা গেলে একটি সেলকে অনেক আগেই বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব। সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে তাই আর্থিক গোয়েন্দা কার্যক্রমের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।
চতুর্থত, সীমান্ত নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়ার জঙ্গি সংগঠনগুলোর ক্ষেত্রে কোনো একটি দেশের সীমানা সবসময় সাংগঠনিক সীমারেখা হয়ে থাকে না। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনাকেও আঞ্চলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে।
আফগানিস্তান এই সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতিসংঘের আগের বিভিন্ন মূল্যায়নে আফগানিস্তানে আল-কায়েদার উপস্থিতি এবং একিউআইএসের কার্যক্রমের কথা এসেছে। ২০২১ সালের জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, একিউআইএস আফগানিস্তানের কান্দাহার, হেলমান্দ ও নিমরুজে তালেবানের ছত্রচ্ছায়ায় কার্যক্রম পরিচালনা করত এবং সংগঠনটির সদস্যদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের নাগরিকও ছিল।
তবে আফগানিস্তান প্রসঙ্গে আরেকটি বিষয়ও মনে রাখতে হবে, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের গোয়েন্দা মূল্যায়নের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। জাতিসংঘের মনিটরিং টিম মূলত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে। ফলে কোনো প্রতিবেদনের উদ্বেগকে চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় সত্য হিসেবে নয়, বরং নিরাপত্তা মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত হিসেবে দেখা বেশি যুক্তিসঙ্গত।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুল হবে দুই ধরনের। একদিকে হুমকিকে অবহেলা করা; অন্যদিকে প্রমাণ ছাড়াই এমন আতঙ্ক তৈরি করা, যেন দেশজুড়ে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দুটিই ক্ষতিকর।
কারণ অতিরঞ্জিত আতঙ্ক সামাজিক আস্থা নষ্ট করতে পারে। বিশেষ করে ধর্মীয় পরিচয়কে জঙ্গিবাদের সঙ্গে এক করে দেখা হলে তা শুধু অন্যায় নয়, নিরাপত্তার দিক থেকেও বিপজ্জনক। জঙ্গিবাদ কোনো ধর্মের সমার্থক নয়। এটি একটি সহিংস রাজনৈতিক-আদর্শিক সমস্যা। ফলে রাষ্ট্রের লড়াই হতে হবে সন্ত্রাসী ব্যক্তি, সংগঠন, অর্থায়ন, প্রচারণা ও নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে, কোনো ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়।
একইভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিসরও অযথা সংকুচিত করা যাবে না। কারণ একটি মুক্ত সমাজকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব এবং সেই সমাজের স্বাধীনতা রক্ষা দুটি পরস্পরবিরোধী কাজ নয়। বরং সুশাসন, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও সামাজিক আস্থা শক্তিশালী হলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর জন্য জায়গা সংকুচিত হয়।
আঞ্চলিক পরিস্থিতিও আমাদের চোখ খুলে দেওয়ার মতো। ভারতে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লাল কেল্লা এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্তকারীরা আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট একটি নেটওয়ার্কের যোগসূত্রের অভিযোগ তুলেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ ওই মামলায় ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের কথা জানায়। এ ধরনের ঘটনা দেখিয়ে দেয়, ছোট ও বিচ্ছিন্ন নেটওয়ার্কও কীভাবে বড় ধরনের হামলার সক্ষমতা তৈরি করতে পারে।
পাকিস্তানের পরিস্থিতিও কম উদ্বেগজনক নয়। দেশটিতে আল-কায়েদা, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান এবং বিভিন্ন সহযোগী বা আদর্শিকভাবে কাছাকাছি গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। এই আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে, বিশেষ করে যদি কোনো সংগঠন মানবসম্পদ, অর্থ, প্রচারণা বা যোগাযোগের জন্য সীমান্তের বাইরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে চায়।
তাই এখন বাংলাদেশের করণীয় আতঙ্ক ছড়ানো নয়, বরং একটি আগাম প্রতিরোধব্যবস্থা তৈরি করা।
প্রথম কাজ, বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া। দ্বিতীয় কাজ, সাইবার ও আর্থিক নেটওয়ার্কে সক্ষমতা বাড়ানো। তৃতীয় কাজ, আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময় জোরদার করা। চতুর্থ কাজ, কারাগার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উগ্রবাদী মতাদর্শের বিস্তার ঠেকানো। আর পঞ্চম কাজ, জঙ্গিবাদবিরোধী অভিযানকে আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কাঠামোর মধ্যে রাখা।
কারণ রাষ্ট্র যদি আইন ভেঙে জঙ্গিবাদ দমন করতে চায়, তাহলে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের নৈতিক শক্তিই দুর্বল হয়। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র শুধু অস্ত্র নয়, বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান, দক্ষ গোয়েন্দা ব্যবস্থা, দ্রুত বিচার, সামাজিক আস্থা এবং আইনের সমান প্রয়োগ।
বাংলাদেশে একিউআইএসের শক্তিশালী সক্রিয় নেটওয়ার্ক ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমন দাবি করার মতো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া তা বলা উচিত নয়। কিন্তু সংগঠনটি বাংলাদেশকে সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করতে পারে, এমন সতর্কতা উপেক্ষা করাও দায়িত্বশীলতার পরিচয় হবে না। এই মুহূর্তে তাই সবচেয়ে সঠিক নীতি হলো আতঙ্ক নয়, আগাম সতর্কতা। প্রচারণা নয়, গোয়েন্দা তথ্য। নির্বিচার সন্দেহ নয়, লক্ষ্যভিত্তিক আইন প্রয়োগ।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জাতিগত ও ধর্মীয় উগ্রতার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করে জাতীয় ঐক্য ও সহাবস্থানের ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের সারকথা বাংলাদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক। জাতি ও ধর্মীয় উগ্রতার আগুন নিয়ে খেললে শেষ পর্যন্ত পুড়ে যায় রাষ্ট্রেরই ভিত। তাই একিউআইএসের সম্ভাব্য সেল নিয়ে আতঙ্ক নয়, চাই আগাম সতর্কতা; কঠোরতা নয় শুধু, চাই বুদ্ধিদীপ্ত ও ন্যায়সংগত প্রতিরোধ। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর হতে হবে, কিন্তু সেই কঠোরতা যেন স্বাধীনতা, ধর্মীয় অধিকার কিংবা ভিন্নমতের পরিসরকে সংকুচিত না করে। কারণ উগ্রবাদ মোকাবিলার নামে যদি সমাজে ভয়, অবিশ্বাস ও বিভাজন বাড়ে, তাহলে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কাজই সহজ হয়।
বাংলাদেশের সামনে তাই পথ একটিই হুমকিকে খাটো না করা, আবার হুমকির নামে অযথা আতঙ্কও না ছড়ানো। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান, অর্থ ও যোগাযোগের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া, অনলাইন উগ্রবাদ ঠেকানো এবং একই সঙ্গে আইনের শাসন ও নাগরিক স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা। এই ভারসাম্যই বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখার সবচেয়ে বড় শর্ত।
কারণ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই কেবল সন্ত্রাসীদের পরাজিত করার লড়াই নয়; এটি এমন একটি সমাজকে রক্ষা করার লড়াই, যেখানে মানুষ নিরাপদে কথা বলতে পারে, নিজের বিশ্বাস পালন করতে পারে এবং ভিন্নমত নিয়েও পাশাপাশি বসবাস করতে পারে। রাষ্ট্রকে তাই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে, কিন্তু স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নয়।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট
email: [email protected]
