ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোর থেকেই দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছিল। আহতদের বেশির ভাগই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, নবীনগরের বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামের শিশু মিয়া গ্রুপের মন্টু মিয়া ও হুসেন চেয়ারম্যান গ্রুপের সরুজ মিয়ার মধ্যে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে সকাল থেকেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় লিপ্ত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ ও নবীনগর থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে কিছুটা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে এলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছেই।
তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগে গত ৪ঠা আগস্ট দিবাগত রাতে টিয়ারা গ্রামে সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই জেরে এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দুই গ্রুপ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবারের সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছিল এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু গ্রেপ্তারের পরও উত্তেজনা থামেনি। ফের মাইকে ঘোষণা দিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা। এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব কান্তি নাথ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনা এড়াতে পুলিশ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।
