নির্মাণকাজ সমাপ্তির পর ঠিকাদারের পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে মোগলাবাজারের গোটাটিকর জামিয়া তা’লীমুল কোরআন মাদ্রাসার মুহতামিম এমদাদুল হক নোমানীর বিরুদ্ধে। টাকা চাইতে গেলে ঠিকাদারকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ এবং সালিশি সমঝোতা বৈঠকেও বসছেন না মুহতামিম। অন্যদিকে নির্মাণকাজের জন্য ঋণ করে বিনিয়োগ করায় পাওনাদারদের চাপেও চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই ঠিকাদার। শনিবার সিলেট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন রংপুর জেলার সদর থানার কাজিপাড়া এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে ঠিকাদার জীবন রহমান।
তিনি বর্তমানে সিলেট মহানগরীর শিববাড়ি এলাকার রাজু মিয়ার মার্কেটে বসবাস করছেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মোগলাবাজার থানার গোটাটিকর এলাকায় অবস্থিত জামিয়া তা’লীমুল কোরআন সিলেটের মসজিদ ও মাদ্রাসা ভবনের নির্মাণকাজে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। তৎকালীন ঠিকাদার কাজ শেষ করতে না পারায় মাদ্রাসার মুহতামিম এমদাদুল হক নোমানী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতি বর্গফুট ৭৫ টাকা রেটে তিনি নির্মাণকাজের দায়িত্ব নেন। জীবন রহমানের দাবি, কাজ শুরু করার পর আগের ঠিকাদারের ফেলে যাওয়া অনেক কাজও তাকে দিয়ে করানো হয়।
এসব কাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে মাদ্রাসার মুহতামিম তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন, পরে প্রকৌশলীদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করা হবে। মুহতামিমের এমন আশ্বাসে তিনি নিজে ঋণ করে শ্রমিক ও নির্মাণসামগ্রী সংগ্রহ করে কাজ চালিয়ে যান। তিনি বলেন, দীর্ঘ পরিশ্রমের পর চলতি বছরের মে মাস নাগাদ মসজিদ ও মাদ্রাসা ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেন। কাজ শেষে তার মোট বিল দাঁড়ায় ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৬০ টাকা। বিল উপস্থাপনের পর গত ৬ই জুন মাদ্রাসার মুহতামিম তাকে ৫ লাখ ৪০ হাজার ৬০ টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৩ লাখ ৯৭ হাজার ২০০ টাকা এক সপ্তাহের মধ্যে পরিশোধের কথা বলা হয়।
