কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাবার বাড়ি থেকে ফেরার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে আয়েশা বেগম (৭০) নামে একবৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের বেরলা গ্রামের সামছুল আলম মজুমদারের স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে উপজেলার গুনবতী রেল স্টেশনের কাছে সাতবাড়িয়া রোড ক্রসিংয়ে। তথ্যটি বিকালে নিশ্চিত করেছেন গুনবতী রেল স্টেশন মাস্টার মো. সাইফুল ইসলাম। নিহত আয়েশা বেগমের মেয়ের স্বামী স্থানীয় স্কুলশিক্ষক মোহাম্মদ মোতালেব জানান, তার শাশুড়ি আয়েশা বেগম শুক্রবার বিকালে গুনবতী গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে শনিবার সকাল ৯টায় নিজ বাড়িতে ফেরার পথে গুনবতী রেলস্টেশনের সাতবাড়িয়া রোডের রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময়ে দু’টি ট্রেন দুই লেনে একইসময়ে ক্রসিং হচ্ছিল।
তিনি চট্টগ্রামমুখী লেন ক্রস করলেও অসাবধানতাবশত ঢাকাগামী সুর্বণ এক্সপ্রেস ট্রেনটি খেয়াল করেনি। এ সময়ে তিনি ওই ট্রেনের ধাক্কায় মাথায় আঘাত লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার লাশ বাড়িতে নিয়ে আসি। নিহতের ছোট ভাই রাজ্জাকুল হায়দার আলম বলেন, আমার বোন শুক্রবার আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। গুনবতীতে উনার কিছু জায়গা আছে সেখানে বাড়ি করে ভাড়া দিয়ে রেখেছে। প্রতি মাসের শুরুতে এসে তিনি ভাড়া নিয়ে যান। শনিবার সকালে তিনি বাড়ি ফেরার পথে ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যায়।
বোনের মৃত্যুতে আমরা খুবই মর্মাহত। তিনি ৬ মেয়ে সন্তানের জননী। গুনবতী রেলস্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম বলেন, শনিবার সকালে ঢাকাগামী সুর্বণ এক্সপ্রেস গুনবতী রেলস্টেশন পার হওয়ার সময়ে স্টেশনের সন্নিকটে সাতবাড়িয়া রোড রেল ক্রসিংয়ে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলেই আয়েশা বেগম নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। পরে স্বজনরা এসে লাশ নিয়ে যায়। লাকসাম জিআরপি থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, এই বিষয়ে আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।
