কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও একটি বাইসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে একজনসহ অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। শনিবার সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-গাজীপুর-টোক-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাকুন্দিয়া পৌরসদরের চৌরাস্তা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সেলিম মিয়া (৪৫) ও মো. উজ্জল (৩৫)। তাদের মধ্যে সেলিম মিয়া পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে এবং মো. উজ্জল বর্ষাগাতি গ্রামের মাহতাব উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী অনন্যা পরিবহনের বাসটি চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বাসটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও একটি বাইসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। এ ছাড়া অটোরিকশার চালক ও যাত্রীসহ দুইজন এবং বাইসাইকেল আরোহী এই তিনজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে তাদেরকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর এলাকাবাসী রাস্তা অবরোধ করলে পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা, দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের আশ্বাস দেন। এ ছাড়া বরাটিয়া বাজারে দুটি স্পিডব্রেকার স্থাপনেরও আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেন।
