ফুলপুরে পাঁচ সড়কের বেহাল দশা

ফুলপুরে পাঁচ সড়কের বেহাল দশা

ফন্ট সাইজ:

ময়মনসিংহের ফুলপুরে সংস্কারের অভাবে চলতি বর্ষায় ভেঙে পড়েছে সড়কব্যবস্থা। খানাখন্দে ভরা সড়কে যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ। এসব ভাঙা সড়কে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা। উপজেলায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দে ভরা এসব সড়ক চলতি বর্ষায় রূপ নিয়েছে মরণফাঁদে। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারী ও যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার ছনধরা ইউনিয়নের ছাটপাগলা মোড় থেকে কাশিগঞ্জ বাজার পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দ ও বড় বড় খাদে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে পানি জমে যায়।

সড়ক দিয়ে ধীরগতিতে পথচারী, রিকশা, ভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পণ্যবাহী ট্রাক-টলি সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করলেও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। সড়কটির ভগ্নদশার কারণে প্রায় ৪০ গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। একই অবস্থা ভাইটকান্দি ইউনিয়নের সখল্যা মোড় থেকে রামভদ্রপুর ইউনিয়নের গোয়াডাঙ্গা পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার সড়কের। উপজেলার ভাইটকান্দি বাজার থেকে মিচকি পাড়া বাজার পর্যন্ত চার কিলোমিটার সড়ক বর্তমানে প্রায় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে ফুলপুর সদর ও ভাইটকান্দি বাজারের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ২০ গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় সৃষ্টি হয়েছে মারাত্মক অচলাবস্থা। অন্যদিকে ফুলপুর পৌর এলাকার আমুয়াকান্দা মোড় থেকে বওলা ইউনিয়নের বওলা বাজার পর্যন্ত ব্যস্ততম ১৫ কিলোমিটার সড়কের সিংহভাগই এখন খানাখন্দে ভরা।

বওলা, বালিয়া ও রূপসী ইউনিয়নের অন্তত ৪০ গ্রামের মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এ সড়কটি। প্রতিদিন এ সড়কে হাজার হাজার হালকা ও ভারী যানবাহন চলাচল করতে হয়। সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে দুর্ঘটনা নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ফুলপুর পৌরসভার আমুয়াকান্দা মোড় হতে রহিমগঞ্জ ইউনিয়নগামী রাস্তাটির বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অনতিবিলম্বে এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো সংস্কার করে যাতায়াতব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, সড়কের দুরবস্থা তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন। জনস্বার্থে সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন