ত্রি-দলীয় ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো দারুণ শুরু পেয়েছিল ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস সাউথ আফ্রিকা দল। ১৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে দলীয় ১০০ ছুঁয়ে ফেলে দলটি। এরপর ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশের বোলাররা। বর্ষণ-রিজওয়ানের পেস তোপে শেষ ৩৫ রান তুলতে ৮ উইকেট হারায় ইউএসএসএ দল। ৩৩ ওভার ৫ বলে ১৬৬ রানে অলআউট হয় প্রোটিয়া দলটি। বোলারদের এমন দাপুটে পারফরম্যান্সের পর জয়ের কাজটা সারেন ব্যাটাররা। ৭ উইকেটের বড় জয় পায় বাংলাদেশ ইর্মাজিং দল। তিন ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পা রাখলো লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। ১২ই আগস্ট টুকস ক্রিকেট ওভাল মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ। ইরিন ভিজার্স ক্রিকেট ক্লাব মাঠে দ্বিতীয় ওভারে জেসন মুরহেইডকে (১) ফেরান বাংলাদেশের পেসার রোহনাতদৌল্লা বর্ষণ। ওপেনার লুডউইচ স্কুল্ড এবং তিনে নামা ডেভিড টীগারের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে ইউএসএসএ দল।
দুজনেই পান ফিফটির দেখা। ৫৭ বলে ৫১ রান করা স্কুল্ডকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙেন ইকবাল হোসেন ইমন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ইউএসএসএ দল। বাংলাদেশের চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ৬.৫ ওভার বল করে ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন। ৩০ রানে ২ উইকেট নেন বর্ষণ। লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবও ২টি উইকেট নেন। জবাবে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। দলীয় ১১ রানে দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরে যান। মাহফিজুল ইসলাম রবিন ৮ রান করেন। আরেক ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান রানের খাতা খুলতে পারেননি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলের হাল ধরেন শাহাদাত হোসেন দিপু এবং ইফতিখার হোসেন ইফতি। ২২ বলে ১৭ রান করে ইফতি বিদায় নিলে ক্রিজে আসেন ইরফান শুক্কুর। দিপু এবং শুক্কুরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জয়ের বন্দরে চলে যায় বাংলাদেশ। ফিফটি তুলেন নেন দুজন। ৩৯ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন শুক্কুর।
৫৬ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত ছিলেন দিপু। ইউএসএসএ এর হয়ে ২ উইকেট নেন ইসোসা আইহেভবা। ৪ ম্যাচের সবগুলো হেরে পয়েন্ট না তুলেই বিদায় নিলে ইউএসএসএ। অন্যদিকে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল ৪ পয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দল ৬ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে পা রেখেছে। ফাইনালের আগে আগামীকাল তিন দলের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে তারা একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। দু’দল আগেভাগে ফাইনালে পা রাখার ম্যাচটি হতে যাচ্ছে নিয়মরক্ষার।
