বর্ষার পানিতে সিক্ত মাঠ। সারি সারি আমন ধানের চারা রোপণ করে সবুজ হয়ে উঠছে শেরপুরের নালিতাবাড়ীর বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। কৃষকের ব্যস্ততায় এখন মাঠজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্য। তবে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতায় আমন আবাদ নিয়ে শঙ্কাও রয়েছে। সরজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা আমন চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কোথাও চলছে জমি প্রস্তুতি, কোথাও আবার রোপণ শেষ হয়েছে। বর্ষার পানিতে জমি সিক্ত থাকায় অনেক কৃষক সেচ ছাড়াই চারা রোপণের সুযোগ পাচ্ছেন।
কৃষক জহিরুল ইসলাম বলেন, ভোগাই নদীর ভাঙনে অনেক সময় পানি ঢুকে আমনের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চারা পচে না গেলে এ এলাকায় ফলন ভালো হয়। তার ভাষ্য, চেল্লাখালী নদীর তীরের কয়েকটি স্থানে ভাঙন রয়েছে। ভোগাই নদীর তীরেও কয়েকটি স্থানে বড় ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছে। নালিতাবাড়ীর মরিচপুরান, যোগানিয়া ও কলসপাড় ইউনিয়নের বেশকিছু এলাকা নিচু হওয়ায় আমন আবাদে কৃষকেরা সুবিধা করতে পারেন না।
বর্ষায় জলাবদ্ধতায় সময়মতো চারা রোপণ ব্যাহত হয়। দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় চারা পচে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। কৃষকেরা জানান, বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে। ফলে উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে। তবু ভালো ফলনের আশায় আমন আবাদ করছেন তারা।
