বগুড়ার আদমদীঘিতে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মাছ ধরার জন্য পুকুরের পানি সেচ দেয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মিজানুর রহমান (৪০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার চাঁপাপুর ইউপি’র হাউসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত মিজানুরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। নিহত মিজানুর উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউপি’র হরিণমারা গ্রামের লোকমান আলী মণ্ডলের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর দুপচাঁচিয়া পৌরসভা কার্য সহকারী পদে চাকরি করেন। ছুটি পেয়ে গত শুক্রবার উপজেলার হাউসপুর গ্রামের সরদার পাড়ায় তার শ্বশুর রিয়াজুল ইসলামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শনিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি কৌটার পুকুর নামক একটি পুকুরে মাছ ধরার জন্য পানি সেচ দিতে নামেন। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
বিষয়টি জানতে পেরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরও অন্তত ৭ জন আহত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, নিহত মিজানুর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তার শ্বশুরবাড়ির প্রতিবেশীরা তাকে রক্ষা করতে বাড়ির মেইন সুইচ বন্ধ করেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। কারণ বৈদ্যুতিক সংযোগটি ছিল অবৈধভাবে মেইন খুঁটি থেকে নেয়া। আদমদীঘি থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, মিজানুর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হলে স্বজনরা তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। পরে সেখানে সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের লোকজন এখনো যোগাযোগ করেননি। তবে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
