লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে ধোপাঘাটা পর্যন্ত সড়কটির দীর্ঘদিন বেহালদশা। প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কটিতে গত ১৭ বছরে উন্নয়নের কোনো ছিটেফোঁটাও লাগেনি। ফলে ৩ উপজেলার কয়েক লাখ সাধারণ জনগণ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই রাস্তা দিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার দক্ষিণ-পূর্ব, বেগমগঞ্জ উপজেলার উত্তর-পশ্চিম এবং লক্ষ্মীপুর চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কয়েক এলাকার মানুষজন চলাচল করেন। কিন্তু জেলার সীমান্তবর্তী সড়ক হওয়ায় এই সড়কের প্রতি কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো দৃশ্যমান কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হচ্ছে না। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, গত ২০০৮ সালে সর্বশেষ এই রাস্তাটি নতুন করে পিচ ঢালাই করা হয়। এরপর থেকে এ পর্যন্ত এই রাস্তায় কোনো সংস্কার বা মেরামতের কাজ করা হয়নি।
প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিদা ইসলাম অরিন জানায়, আমার প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে আমি রাস্তার ভাঙা এবং গর্তে পড়ে যাই, শুধু আমি নই আমার সঙ্গে অন্য সহপাঠীরা ও ছোট ছোট শিক্ষার্থীরাও এই রাস্তা দিয়ে যেতে অনেক ভোগান্তিতে পড়ে।
২০২৪ সালের বন্যায় এই রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। তখন স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ নিয়ে কিছু বড় বড় গর্ত ভরাট করা হলেও সরকারিভাবে কোনো সহায়তা এই রাস্তায় দেখা যায়নি। বন্যার সময় এই রাস্তায় প্রায় কোমর সমান পানি হয়েছিল, তখন সাধারণ মানুষ নৌকা ব্যবহার করে যাতায়াত করেছিল। চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, এই রাস্তাটির জন্য আমি গত কয়েক বছর ধরে উপজেলায় বিভিন্নভাবে কথা বলেছি, লিখেছি কিন্তু এই পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) ইকবাল হোসেনকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
