কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ছাত্রীদের বিশ্রাম, নামাজ আদায় ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনের জন্য স্থাপিত ওমেন্স কর্নারটি প্রতিষ্ঠার ছয় মাস না পেরোতেই রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেহাল অবস্থায় পৌঁছেছে। নিয়মিত পরিচর্যা ও তদারকির অভাবে কর্নারটির বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। সরজমিন দেখা যায়, কর্নারের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো গাছগুলো পানির অভাব ও পরিচর্যার অভাবে শুকিয়ে গেছে। নামাজের স্থান এবং ওয়াশরুম নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকায় সেগুলো ব্যবহার করতে ভোগান্তিতে পড়ছেন ছাত্রীরা। বিশেষ করে ওয়াশরুমগুলোর বেহাল দশা সহজেই চোখে পড়ে। ফলে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চালু করা উদ্যোগটি ধীরে ধীরে তার কার্যকারিতা হারাচ্ছে।
এ বিষয়ে লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আয়শা বলেন, কর্নার চালুর খবর শুনে খুবই খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি, প্রয়োজনের তুলনায় জায়গা অনেক ছোট এবং ওয়াশরুমগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হলে এটি ছাত্রীদের জন্য আরও আরামদায়ক ও কার্যকর একটি স্থান হয়ে উঠতে পারে। বাংলা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজিফা খানম বলেন, ওমেন্স কর্নার চালুর সময় আমরা খুবই আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই এটি অবহেলার শিকার হয়েছে। নিয়মিত তদারকি না থাকায় এখানকার পরিবেশও আগের মতো নেই। এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ওমেন্স কর্নারের বিষয়টি আমার নজরে আসে। কয়েকদিন আগে এস্টেট অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে জায়গাটি পরিদর্শন করেছি। সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই এর সমাধান হবে।
