আগামী মাসে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যোগদান করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমরা তো ব্রিকসের সদস্য নই। আমাদেরকে পর্যবেক্ষক হিসেবে ইনভাইট করা হয়েছে। সরকারের পর্যায়ে সিদ্ধান্ত আসবে প্রধানমন্ত্রী যাবেন কি না। গেলে তো কারো কারো সাথে বৈঠক করার সুযোগ থাকে। সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। সেই অর্থে এটা নিয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা শুরু হয়েছে বলে আমার জানা নেই।’
বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য হতে চায় কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত স্পেসিফিকলি কোনো সিদ্ধান্ত হয়ে যায়নি। বহুপাক্ষিক যত জায়গা আছে, সবকিছুতেই চিন্তা আছে কানেক্টেড হওয়ার।’
সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘পদে থাকার সময় প্রেসিডেন্ট আইনের মুখোমুখি হবেন না। কিন্তু তার আগে-পরে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে সেগুলোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, তার এই জবাব সুনির্দিষ্টভাবে সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে নয়, এটি যেকোনো প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে।
সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘দায়মুক্তির ব্যাপারটি নিয়ে একটু বিভ্রান্তি আছে। বাংলাদেশের একজন মানুষ (প্রেসিডেন্ট) তার পদে থাকার সময়ে কোনো আইনের মুখোমুখি হবেন না। তিনি যখন পদে নেই। সেটা আগে-পরে যদি কোনো রকম মিসকন্ডাক্ট, সেটি এই প্রেসিডেন্টের (সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সাহা্বুদ্দিন) কথা বলছি না, যেকোনো রাষ্ট্রপতি...সেগুলোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাবে।’
