জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও তারেক রহমান

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও তারেক রহমান

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশের সমকালীন রাজনৈতিক ইতিহাসে বহুমাত্রিক নিপীড়নের শিকার নেতাদের অন্যতম বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্ত্রী ও সন্তানসহ তাকে টানা ১৮ বছর দেশের বাইরে নির্বাসিত জীবন কাটাতে হয়েছে।
কিন্তু দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য তার সংগ্রামে তিনি ছিলেন আপসহীন। যেকোনো ন্যায়সঙ্গত ও গণতান্ত্রিক দাবির প্রতি তিনি সবসময় সমর্থন জানিয়েছেন। তার রাজনৈতিক চিন্তা-দর্শন বরাবরই ছিল যুগোপযোগী এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণকেন্দ্রিক।

২০১৪ সালে তারেক রহমানই প্রথম সরকারি চাকরিতে কোটা ৫৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেন। ২০১৪ সালের ১৫ই জুলাই লন্ডনের টাওয়ার হিলে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, “আমি মনে করি, সরকারি চাকরিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের পথ সুগম করার জন্য কোটা ব্যবস্থা ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা উচিত।” সরকারি চাকরিতে মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি তখনই এ অবস্থান গ্রহণ করেন।
২০১৮ সালেও তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন জানান।

২০২৪-এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম দিন থেকেই তিনি শেখ হাসিনার সরকারের সংঘটিত গণহত্যার প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলেন। তিনি নিয়মিত দেশবাসীকে আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। তার আহ্বানে আন্দোলনে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
২০১৫ সালের ৭ই জানুয়ারি আদালত তারেক রহমানের ভাষণ, বক্তব্য ও বিবৃতি দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের চাপের মুখে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ফলে তারেক রহমানের অনেক বক্তব্য মূলধারার গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। তবে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নিয়মিত আন্দোলনের গতিপথ নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, নেতাকর্মীদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন এবং জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের সহিংসতায় সারা দেশে নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪২২ জন বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া, ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু জুলাই নয়, ৫ই আগস্টের পরও তারেক রহমান সমপ্রীতি, সংযম ও জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান। ৫ই আগস্ট তারেক রহমান বলেন, “বিজয়ীর কাছে পরাজিতরা নিরাপদ থাকলেই বিজয়ের আনন্দ মহিমান্বিত হয়।”
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শুরু থেকেই নৃশংস হামলা চালায় শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে আবু সাঈদের বুক ঝাঁঝরা হয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভিডিও বার্তা দেন বিএনপি’র তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

১৮ই জুলাইয়ের সেই ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “শহীদদের রক্ত মাড়িয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা খুনি হাসিনার সঙ্গে এখন আর সংলাপ করতে রাজি নয়। ছাত্র-জনতা খুনির কাছে কিসের খুনের বিচার চাইবে? হাসিনা নিজেই ঠান্ডা মাথার খুনি।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের বীর শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না, ইনশাআল্লাহ। বৃথা যেতে আমরা দেবো না, ইনশাআল্লাহ। দেশ আজ সম্পূর্ণ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে ছাত্রছাত্রী, কৃষক, শ্রমিক, পেশাজীবীসহ অধিকারহারা গণতন্ত্রকামী জনগণ; অন্যদিকে খুনি হাসিনা আর তার অলিগার্করা।

১৯শে জুলাই তিনি লন্ডন থেকে আরেকটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যেভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে প্রবাসীরা ভূমিকা রেখেছিলেন, তেমনি বর্তমান পরিস্থিতিতেও তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই পরিস্থিতি বিরাজমান। সুতরাং প্রবাসী বাংলাদেশি ভাই ও বোনদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা যে দেশে রয়েছেন, সে দেশের সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরুন। সঠিক সময়ে আপনাদের সঠিক তৎপরতা ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের কারণে খুনি হাসিনার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে আপনার ভাই, বোন, বন্ধু-স্বজনের প্রাণ। বেঁচে যেতে পারে একটি পরিবার। এমনকি রক্ষা পেতে পারে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব।”

১৯শে জুলাই রাত থেকে সারা দেশে কারফিউ জারি করা হয়। একই সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে বাংলাদেশকে বিশ্বের সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়।
দেশের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে ২১শে জুলাই লন্ডন থেকে ভিডিও বক্তব্য দেন তারেক রহমান। বলেন, গত ১৮ই জুলাই থেকে বাংলাদেশ বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন। বাংলাদেশকে বিশ্বের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে দেশে গণহত্যা চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন-
“১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্ববাসী বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। বর্তমানেও বাংলাদেশের চলমান গণহত্যা বন্ধে নিরস্ত্র জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিশ্ববিবেকের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাই।

১লা আগস্ট: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে কোটা সংস্কার আন্দোলন ক্রমেই শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নিচ্ছিল। দেশের রাজপথ তখন লাশের মিছিল, সহিংসতা ও দমন-পীড়নের ঘটনায় উত্তাল। এমন পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রকামী জনগণের উদ্দেশ্যে ১লা আগস্ট লন্ডন থেকে বক্তব্য দেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, “দেশের ছাত্রছাত্রী ও তরুণ-যুবকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত গণহত্যায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। হাসপাতালে কিংবা বাসায় বাসায় হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। রাজধানীর এমন একটি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা দেশের এমন একটি জেলা বা উপজেলা খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে কেউ হতাহত হননি। ঘরে ঘরে চলছে সন্তান-স্বজন হারানো পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনের আর্তনাদ। এমন নিষ্ঠুর পরিস্থিতিতেও দেশে কারফিউ জারি করে চলছে গণগ্রেপ্তার।

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষের একজন রাজনৈতিক কর্মী কিংবা সন্তানের অভিভাবক হিসেবে চলমান এই আন্দোলনে আপনি রাজপথে নামুন এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী, খুনিদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। একজন গ্রেপ্তার হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মতো সঙ্গে সঙ্গে আরেকজন দায়িত্ব নিন। নিজেই নেতৃত্ব দিন। কোনো নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। ‘‘নির্দেশনা একটাই- দাবি একটাই-দফা এক, দাবি এক-খুনি হাসিনার পদত্যাগ।”

বক্তব্যের শেষে তিনি কবি রকিব লিখনের একটি পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করেন-
৪ঠা আগস্ট: শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। এদিন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলমতনির্বিশেষে সবাইকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সেনাবাহিনীকে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “সেনাবাহিনীর ভাইদের বলবো, সেনা পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমি সেনাবাহিনীর কাছে আহ্বান জানাই-বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের নামের সঙ্গে সব সময় ‘দেশপ্রেমিক’ শব্দটি ব্যবহার করে। নিশ্চয়ই আপনারা সেই শব্দটির মর্যাদা রক্ষা করবেন জনগণের কাতারে থেকে, দেশের পক্ষে থেকে। কোনো ব্যক্তি বা বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে থাকবেন না। আমি অবিলম্বে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
অভিভাবকদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা দলে দলে রাজপথে নেমে আসুন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে সফল করুন। যার যা কিছু আছে, যে অবস্থানে আছেন, তাই নিয়ে সাধ্যমতো প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। সতর্ক থাকুন। মাফিয়ার বিদায় এখন শুধু সময়ের ব্যাপার।”

৫ই আগস্ট: ২০১৫ সালের ৭ই জানুয়ারি তারেক রহমানের ভাষণ, বক্তব্য ও বিবৃতি দেশের গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। দীর্ঘ ৯ বছর ৬ মাস ২৭ দিন পর ৫ই আগস্ট থেকে বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য পুনরায় প্রচার শুরু হয়। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দু’টি ভিডিও বার্তায় দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণভাবে বিজয় উদ্‌যাপনের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “বিজয়ীর কাছে পরাজিতরা নিরাপদ থাকলেই বিজয়ের আনন্দ মহিমান্বিত হয়। তারপরও আমি খবর পেয়েছি, দেশের কোথাও কোথাও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। আমি আবারো দেশবাসীর কাছে বিনীত আহ্বান জানাই, ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক কারণে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধপরায়ণ হবেন না। বিশেষ করে কোনো ধর্মীয় জনগোষ্ঠী যেন কোনোভাবেই হেনস্তার শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবেন না। খুনি হাসিনা তার দলীয় ও ব্যক্তিস্বার্থে রাষ্ট্র এবং সমাজে মানুষে মানুষে ঘৃণা, হিংসা ও বিভেদ ছড়িয়েছে। তবে আমার বক্তব্য স্পষ্ট-কাউকে সংখ্যালঘু হিসেবে বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী-কেউ সংখ্যালঘু নয়। দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের প্রতিটি নাগরিকের একটিই পরিচয়-আমরা বাংলাদেশি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কারও ক্ষোভ থাকলেও নিজেরা প্রতিশোধ নেবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা জনপ্রশাসনের কেউ অন্যায় করে থাকলে রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার কর্তব্য।”

৭ই আগস্ট ২০২৪: ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যান। এর তিনদিন পর, ৮ই আগস্ট, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।
এমন পরিস্থিতিতে ৭ই আগস্ট রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি’র উদ্যোগে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের নেতাকর্মী ও গণতন্ত্রকামী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সমাবেশে নিরাপত্তা, সমপ্রীতি, গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও দেশ গঠনের বিশেষ বার্তা দেন। তারেক রহমান ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের সর্বাত্মকভাবে আন্দোলনে সম্পৃক্ত রাখেন এবং আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আন্দোলন সফল হওয়ার পরও তিনি পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় দায়িত্বশীল অবস্থান গ্রহণ করে একজন দূরদর্শী ও দায়িত্বশীল নেতার পরিচয় দেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে তারেক রহমান একজন গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য রাজনৈতিক নেতা এই সত্য অস্বীকার করা হীনম্মন্যতা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারবিরোধী আচরণ ছাড়া আর কিছুই নয়।

(কৃতজ্ঞতা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী সম্পাদিত বই ‘তারেক রহমানের নিষিদ্ধ ভাষণ’)
লেখক: প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব।



কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন