সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে বিতর্কিত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি তার পদত্যাগের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলা সদরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। পরে মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্যামনগর প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তব্য দেন সোলাইমান কবির, অ্যাডভোকেট আশেক ইলাহী মুন্না, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল রহমান, পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম, শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকাত আলী, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান পারভীন ঝর্ণা, অধ্যাপক আবু সাঈদ ও শফিকুল ইসলাম দুলু।
বক্তারা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে ঘিরে জনমনে নানা প্রশ্ন ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।’ তারা দাবি করেন, ভিডিওটি প্রকাশের পর প্রথমে সেটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে তৈরি বলে দাবি করা হলেও পরবর্তীতে ভিডিওতে থাকা তরুণীকে সংসদ সদস্যের বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেয়া হয়।’ এ ঘটনায় বিভিন্ন সময় দেয়া বক্তব্য ও তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি থাকায় বিষয়টি আরও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
বক্তারা আরও বলেন, ‘একজন জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে এমন বিতর্ক জনগণের আস্থার প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাই বিষয়টির স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি।’ একই সঙ্গে তারা গাজী নজরুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি করেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নানা ধরনের আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সব প্রশ্নের জবাব নিশ্চিত করা না হলে রাজনৈতিক অঙ্গনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রতীকী কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও প্রসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অংশ। এ বিষয়ে তিনি লিখিত বক্তব্যও প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে দলীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

মোঃ ইকবাল মিয়া
১ ঘন্টা আগেN c p এর দালালরা কোথায় এখন তোদের মূখ বন্ধ কেন বি এন পি যদি এ কাজ করত তোদের গলা বাজিতে থাকয় দায় হয়ে যেত তারা জামায়াতের দালাল এ কথা সবাই জানে