রিজেন্ট হাসপাতালের আলোচিত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে একটি চেক ডিজওনার মামলায় রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানায় হস্তান্তর করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। পরে আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সুব্রত দেবনাথ বলেন, সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে মিরপুর ইসিবি চত্বর এলাকায় মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের লোকজন প্রথমে মোহাম্মদ সাহেদকে আটক করে। এরপর বিষয়টি ট্রাফিক পুলিশের নজরে আসলে তারা উভয়পক্ষকে ইসিবি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। পরে আমাদের ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশকে খবর দিলে আমরা ঘটনাস্থলে যায়। তখন মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান- সাহেদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চেক জালিয়াতির অভিযোগে পল্লবী থানার একটি মামলায় সাজাসহ ওয়ারেন্ট আছে। পরে পল্লবী থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ওয়ারেন্টের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপর দুপুর ১টার দিকে পল্লবী থানা পুলিশের একটি টিম ক্যান্টনমেন্ট থানায় এলে আটক মোহাম্মদ সাহেদকে হস্তান্তর করা হয়। এরপর বিকালে পল্লবী থানা পুলিশ সাহেদকে আদালতে হাজির করলে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক সাদিক আহম্মেদ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে সাহেদের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন বলেন, মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় সাহেদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি যখন হয় তখন তিনি জেলে ছিলেন। তখন মামলাটিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। গত বছরের ৪ঠা মে আদালত তাকে এ মামলায় এক বছরের সাজা দেন এবং সমপরিমাণ টাকা (২ কোটি ১৬ লাখ) অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এখন যেহেতু উনি কারাগারে গেছেন আমরা এ মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, পল্লবী থানার একটি মামলায় মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে আদালতে সেপর্দ করা হয়ছে।
