শেষ ওভারে সাইফুদ্দিনের চার ছক্কা, তিন ওভারে তিন উইকেট নেই জিম্বাবুয়ের

শেষ ওভারে সাইফুদ্দিনের চার ছক্কা, তিন ওভারে তিন উইকেট নেই জিম্বাবুয়ের

ফন্ট সাইজ:

ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম ম্যাচে বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ ব্যাটিং করেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম-সাইফ হাসান। দুই ওপেনারের জোড়া ফিফটিতে শক্ত ভিত পায় সফরকারীরা। সেখানে দাঁড়িয়ে ঝোড়ো ব্যাটিং করেছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও ইয়াসির আলি। ইনিংসের শেষ ওভারে টানা ৪টি ছক্কা হাঁকান সাইফুদ্দিন। তাতে বড় সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেছেন তানজিদ তামিম। রান খরায় ভুগতে থাকা ওপেনাররা আজ দারুণ শুরু করেন। অবশ্য একাধিকবার জীবন পেয়েছেন তামিম-সাইফ দুজনই। সেটা কাজেও লাগিয়েছেন। দুজনেই পেয়েছেন ফিফটির দেখা। ৩৩ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন তামিম, আর সাইফ এই মাইলফলক ছুঁতে খরচ করেন ৪২ বল। ফিফটির পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তামিম। সবমিলিয়ে ৪৪ বলে ৫৮ রান করেছেন তিনি। আরেক ওপেনার সাইফের ব্যাট থেকে আসে ৪৫ বলে ৫৫ রান।

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তাওহিদ হৃদয়, পারভেজ ইমন ও নুরুল হাসান সোহান দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। তবে শেষদিকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ইয়াসির ও সাইফুদ্দিন। ইয়াসির ১২ বলে করেছেন অপরাজিত ২২, আর সাইফুদ্দিনের ব্যাট থেকে এসেছে ১০ বলে অপরাজিত ৩১ রান। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাইফুদ্দিন চার বলে চার ছক্কা মেরেছেন ব্রাড ইভান্সের শেষ ওভারে। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হজমের রেকর্ডও তাঁর।

এদিকে ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে ৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে জিম্বাবুয়ে। মেহেদী হাসান প্রথম ওভারে মারুমানিকে ফিরিয়ে শুরুটা করেছিলেন, পরের ওভারে ব্রায়ান বেনেটকে বোল্ড করেন নাহিদ রানা। তৃতীয় ওভারে মাইয়ার্সও বোল্ড হয়েছেন মেহেদীর বলে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন