লড়াই জমিয়ে তুলেছেন ইয়াসির ও মেহেদি। ২৪ বলে ৪৭ রান চাই বাংলাদেশের।
ইয়াসিরের ফিফটি
নুরুল হাসানের রান আউটের পর মেহেদি হাসানকে নিয়ে লড়ছেন তিন বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফেরা ইয়াসির আলী রাব্বি। ৩৩ বলে অর্ধশতক করেন তিনি।
৭৩/৪
দলীয় ৭৩ রানের মাথায় অধিনায়ক তাহহিদ হৃদয়েকে হারালো বাংলাদেশ। সুম্বার বলে স্লগ সুইপ করে মিড উইকেটের সীমানা দড়ি পার করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। ১৩ বলে ১৪ রান করেন হৃদয়। ১০ ওভারে ৪ উইকেটে দলীয় সংগ্রহ ৭৬ রান।
৭ ওভারে দলীয় ৫০
৭ ওভার শেষে ৫২ রান বাংলাদেশের। লক্ষ্য ১৭১। ক্রিজে হৃদয় ৯ ও ইয়াসির ৮ রানে অপরাজিত আছেন।
৩৪ রানে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের, লক্ষ্য ১৭১
১৭১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ ওভারে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। ১৫ বলে ১২ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান। ওভারের শেষ বলে আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমও কিপারের কাছে ক্যাচ দেন। রিচার্ড এনগারাভার গুডলেন্থ এ করা ডেলিভারি লাফিয়ে উঠলে পুল করতে যান তামিম। ব্যাটার কানায় লেগে বল শূণ্যে উঠে যায়। তিনে নামা পারভেজ হোসেন ইমনও ব্যর্থ। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে লং শট খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন।
রানার ম্যাজিকের পরও ১৭১ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ
বুলাওয়েতে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টস হেরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগে বোলিং করে বাংলাদেশ। নাহিদ রানার ৪ উইকেটের সুবাদে স্বাগতিকদের ১৭০ রানে আটকে ফেলে টাইগাররা। ৬ চার ও ১ ছক্কায় জিম্বাবুয়ের ওপেনার ব্রায়ান বেনেট সর্বোচ্চ ৪৪ রানের ইনিংস খেলেন।
কুইনস স্পোর্টস ক্লাবে দারুণ শুরু পায় জিম্বাবুয়ে। শুরু থেকে আগ্রাসী ব্যাটিং করেন ব্রায়ান বেনেট। সঙ্গী তাদিওয়ানাশে মারুমানিও শুরুতে ঝড় তোলেন। চতুর্থ ওভারে জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন পেসার নাহিদ রানা। সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে মারুমানি করেন ১৪ রান। পাওয়ারপ্লেতে ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৫৪ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। এরপর মাঝের ওভারে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ১১তম ওভারে বেনেটকে ফেরান নাহিদ। আর ডিওন মায়ার্স ও অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে রানের চাকা টেনে ধরেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ১৮তম ওভারে ১১ রান করা মিল্টন শুম্বা নাহিদের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন। এক বল পর তাশিঙ্গা মুসেকিওয়াকে শূন্য রানে ফেরান ডানহাতি এ পেসার। ১৭.৩ ওভারে ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। এরপর দলকে টেনে তোলেন রায়ান বার্ল। অপরাজিত থাকেন ২৫ বলে ৩০ রানে। তার সঙ্গে শেষ ওভারে ঝড় তোলেন ব্র্যাড ইভান্স। মাত্র ১০ বলে ৪ চারে করেন অপরাজিত ১৯ রান, স্ট্রাইক রেট ১৯০। এই জুটির সৌজন্যে শেষ ৫ ওভারে আসে ৪৮ রান, যা ইনিংসের মোট রানকে ১৭০-এ নিয়ে যায়। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল নাহিদ রানা। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৩৫ রানে নেন ২ উইকেট। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ১৭১ রান।
