সিরিজ আগেই হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে বসেছিল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। তবে শেষ ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্সে ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকে বাঁচল টাইগাররা।
শনিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টসে জিতে বোলিং বেছে নেন অধিনায়ক মিরাজ। শুরুতেই সিদ্ধান্তের প্রতিদান দেন বোলাররা। মাত্র ১২ রানে ফিরে যান ওপেনার বেন কারান (১৩ বলে ২), শরিফুল ইসলামের শিকার হয়ে। পরের ওভারে তাসকিন আহমেদের আঘাতে ফেরেন আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট (১৯ বলে ৬)।
এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও তা বেশিদূর যায়নি। ২০ বলে ৫ রান করে আরভিন ফেরেন দলীয় ২৭ রানের মাথায়, শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। কাইয়া কিছুটা রয়েসয়ে খেলে ৬৭ বলে করেন ২৫ রান। ক্রিজে এসে সিকান্দার রাজাও টিকতে পারেননি, ১১ রানেই থামেন তিনি। ৫ উইকেট হারিয়ে তখন জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১০৭ রান।
এই বিপর্যয়ের মধ্যেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন সিকান্দার মাধেভেরে। তুলে নেন ব্যক্তিগত ফিফটি, ৪৩ বলে ৫০ রান করে আউট হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম, ২টি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম।
জবাব দিতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৫১ রানের বড় সংগ্রহ। সৌম্য ৬৯ রান করে ফেরার পর তামিম খেলেন ৯৪ রানের চমৎকার ইনিংস, যদিও সেঞ্চুরি অধরাই থেকে যায় তার। শেষ দিকে তিন রান যোগ করতে গিয়ে আরেকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ—তৌহিদ হৃদয় ফেরেন শূন্য রানে। তবে বাকি কাজটা সহজেই সারেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (অপরাজিত ১৮) ও নুরুল হাসান সোহান, দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা।
৭ উইকেটের জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো বাংলাদেশ
স্পোর্টস ডেস্ক
খেলা
২ ঘন্টা আগে
১১ জুলাই (শনিবার), ২০২৬, ৮ঃ৫০ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
