ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেসের পরিষেবা খুব শিগগিরই চালু হচ্ছে

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেসের পরিষেবা খুব শিগগিরই চালু হচ্ছে

ফন্ট সাইজ:


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির সূচক হিসেবে দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর খুব শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসের পরিষেবা চালু হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত। এই ভিসার জন্য বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রভূত উৎসাহ নজরে এসেছে। এর পরেই ঢাকায় অবস্থিত ভারতের হাইকমিশনের তরফে মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালু করার অনুরোধ এসেছে ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের কাছে।

এই পরিষেবা চালুর বিষয়ে ইতিমধ্যেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরে এবং রেল মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের রেলমন্ত্রী এ ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। আবার ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেসের পরিষেবা চালু করার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, পূর্ব সূচি মেনে সপ্তাহে পাঁচদিন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ওই ট্রেনটি আবার চালু করার বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। তবে মৈত্রী এক্সপ্রেস শুরু করতে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কাস্টমসের অনুমতির প্রয়োজন।

মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করার জন্য পূর্ব রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারকে লিখিতভাবে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের রেল মন্ত্রণালয়। এই বিষয়ে কী কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তা রেলবোর্ডকে জানানোর কথাও বলা হয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত মিললেই আবার দু’দেশের মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হয়ে যাবে। পূর্ব রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারিখ ঘোষণা হওয়া মাত্রই আমরা পরিষেবা চালু করতে প্রস্তুত। যেকোনো মুহূর্তে চালানোর জন্য রেক ও কোচগুলো পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের পর ২০২৪ সালের ১৯শে জুলাই থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। একইসঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কলকাতা ও খুলনার মধ্যে চলাচলকারী বন্ধন এক্সপ্রেস ও নিউ জলপাইগুড়ি ও ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী মিতালী এক্সপ্রেসও। এই সময় পাঁচ মাস ধরে ভারতীয় রেকগুলো বাংলাদেশে থাকার পর সেগুলোকে ভারতে আনা হয়েছিল বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ণ সহযোগিতায়।
তবে মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিষেবার পাশাপাশি বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস চালু হবে কিনা তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে পর্যবেক্ষক মহলের মতে, একবার মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু হয়ে গেলে পরবর্তী ধাপ হিসেবে বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেসও চালু হয়ে যাবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন