ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার বলেছেন, ‘প্রতিবারের ন্যায় এবারও বইমেলাকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তাব্যবস্থা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। কন্ট্রোল রুমে রাতেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নিরাপত্তাব্যবস্থা তদারকি করবেন। বইমেলার সার্বিক নিরাপত্তায় থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য।’
বুধবার সকালে বইমেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সামনে বইমেলা-২০২৬ উপলক্ষে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আয়োজন করা হয়েছে ‘অমর একুশে বইমেলা’। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি হতে ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ তদসংলগ্ন এলাকায় বাংলা একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত হতে যাচ্ছে এ বইমেলা।’’
তিনি আরও বলেন, ‘বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গেট কেন্দ্রিক ও অভ্যন্তরীণ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ইউনিফর্মড পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোষাকে পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে লোকসমাগম বেশি থাকে বিধায় এ সময়গুলোতে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা। বইমেলা প্রাঙ্গণ কেন্দ্রিক ফুট পেট্রোল ব্যবস্থা ও মুক্তমঞ্চ কেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) বলেন, ‘বইমেলা প্রাঙ্গণে ফায়ার টেন্ডার, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাথমিক চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে। সার্চ লাইটের ব্যবস্থা থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিবি, সিটিটিসি, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সোয়াটসহ ডিএমপির বিশেষায়িত টিমগুলো সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। বইমেলায় লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, হেল্প ডেস্ক ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র থাকবে। মেলার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং আগত দর্শনার্থীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে। বইমেলায় বিশুদ্ধ খাবার পানি বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে।’
