যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন

ফন্ট সাইজ:

কুষ্টিয়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী তুলি খাতুন হত্যা মামলায় স্বামী আজাদ মণ্ডলের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামি কারাগারে ছিলেন। তার বয়সসহ মামলার বিভিন্ন নথিপত্র বিশ্লেষণ করে আদালত মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জুলফিকার মতিন ও খন্দকার জহিরুল হক।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ৮ মে কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সি মশিয়ার রহমান আজাদ মণ্ডলকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্সও হাইকোর্টে আসে।

এজাহারে বলা হয়, যৌতুকের দাবিতে আজাদ মণ্ডল প্রায়ই স্ত্রী তুলি খাতুনকে নির্যাতন করতেন। ২০১৬ সালের ১৮ মে রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা তুলি খাতুনকে নির্যাতন করে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে গলায় দড়ি বেঁধে বাড়ির পাশের একটি আমগাছে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আলী হোসেন বাদী হয়ে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন