ফরিদপুরে হত্যাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাটের অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার কলেজছাত্র সুমন শেখ হত্যার ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার। এদিকে হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে একটি পক্ষ আসামি ছাড়াও প্রতিপক্ষের বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে আসামিদের ধরতে তৎপর পুলিশ জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। নিহতের পরিবার জানায়, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গত ২৬শে জুন বিকালে জেলার আলফাডাঙ্গার পূর্বপাড়ায় হামলার সুমনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে এলাকার সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় আলফাডাঙ্গা থানায় মামলা হলেও আসামিদের মধ্যে একজন ছাড়া কউকে আটক না করতে পারায় বাদীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অপরদিকে এ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে আসামি ও তাদের সমর্থিতদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে লুটপাট করা হয়েছে। তাদের দাবি, হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে কিছু অতি উৎসাহী মানুষ এসব ঘটনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে। এ ছাড়া এজাহারভুক্ত আসামি না হয়েও অনেকেই হামলার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তারা প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয় তাদের হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে পুলিশ বলছে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্তদের গ্রেপ্তারের পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।

মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আজম খান জানান, এরই মধ্যে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে পুলিশ। তিনি জানান, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। হত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করার আশা ব্যক্ত করে তিনি জানান, বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট সবই অপরাধের শামিল।

কোনো অপরাধকেই আইন প্রশ্রয় দেবে না। এদিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সন্ত্রাসী খাজা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে এলাকার মানুষ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। দুপুরে মানববন্ধন চলাকালে এলাকার নিরীহ মানুষ জানান, খাজা বাহিনী হত্যা, নির্যাতন বাড়িঘরে হামলা করে লুটপাট করছে। ফলে নিরুপায় হয়ে তারা খাজা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন