ঐতিহাসিক অ্যাজটেকায় ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচের পর রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু এই ম্যাচেই নয়, পুরো টুর্নামেন্টেই বিভিন্ন সময় ভিএআর এর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। এবার ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল কোনো রকম রাখঢাক ছাড়াই বলে দিয়েছেন, এবারের বিশ্বকাপের রেফারিরা যথেষ্ট মানসম্মত নন। ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচে অন-ফিল্ড রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অস্ট্রেলীয়-ইরানীয় রেফারি আলিরেজা ফাগানি। এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে রেফারির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। আর ভিএআর হিসেবে ছিলেন কলম্বিয়ান রেফারি নিকোলাস গালো। ম্যাচে দুটি পেনাল্টি ও একটি লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। এর মধ্যে একটি পেনাল্টি ও লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত গেছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপরই ম্যাচ শেষে মিডিয়ার সামনে সরাসরি নিজের অসন্তোষ উগড়ে দিয়েছেন টুখেল।
বিবিসি স্পোর্টসকে টুখেল বলেন, ‘রেফারিরা প্রত্যাশিত মানের নন। চতুর্থ রেফারিরাও ওই মানের নন’। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে মেক্সিকোর ব্রায়ান গুতিয়েরেজকে ফাউলের অভিযোগে ভিএআরের সাথে আলোচনা করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল করে মেক্সিকোকে ম্যাচে ভালোভাবেই ফিরিয়ে এনেছিলেন রাউল হিমেনেজ। কিন্তু রেফারির এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ টুখেল, ‘এটা কি পেনাল্টি হওয়ার মতো নিশ্চিত কোনো ফাউল? আমি তা মনে করি না। মাঠের রেফারি যেখানে ফাউলই দেয়নি, সেখানে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টি দেয়া হলো’। তবে টুখেলের অভিযোগের সাথে একমত নন ২০১০ বিশ্বকাপ ফাইনালে সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড্যারেন ক্যান। বিবিসিকে তিনি বলেছেন, ‘কেইন মেক্সিকো খেলোয়াড়ের পায়ে লাথি মেরেছিল। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে লুকা মদরিচের ফাউলের কারণে ইংল্যান্ড যে পেনাল্টি পেয়েছিল, এটাও অনেকটা সেরকম’।
সাবেক ইংলিশ গোলরক্ষক জো হার্টও বলেছেন, রেফারি তিনটি সিদ্ধান্তই সঠিক নিয়েছেন, ‘রিপ্লে দেখার সময়ই আমি বুঝতে পেরেছিলাম কী হতে চলেছে। লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। কেইনও বলের নাগাল পায়নি’।
