নাহিদ রানার রেকর্ডের পর লজ্জার হার বাংলাদেশের

ফন্ট সাইজ:

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েছেন নাহিদ রানা। বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিং ফিগার এখন নাহিদের। গতকাল হারারেতে ডানহাতি এ পেসারের বিধ্বংসী বোলিংয়ে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১৪১ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১১৬ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। ২৫ রানের হারে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করে বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম সাজঘরে ফিরে যান। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে আউট হওয়ার আগে ৮ রান করেন তিনি। ৩ করা করা নাজমুল হোসেন শান্তকেও ফেরান মুজারাবানি। পঞ্চম ওভারে আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার বিদায় নেন। ৫ ওভারে ১৯ রানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে টাইগারদের ম্যাচে ফেরান তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান। ১৯তম ওভারে হৃদয় ফিরে গেলে আবারো বিপদে পড়ে টাইগাররা। ছয়ে নামা মোসাদ্দেকের ব্যাট থেকে আসে ৩ রান। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ দায়িত্বহীনের পরিচয় দেন। বড় শট খেলতে গিয়ে কাটা পড়েন ব্যক্তিগত ১০ রানে। অন্যপ্রান্তে জয়ের আশা জিইয়ে রাখা নুরুল হাসান সোহান এলবিডব্লিউ এর শিকার হন দলীয় ৯৮ রানে। ডিআরএস থাকলে হয়তো বেঁচে যেতেন সোহান। এরপর টেলেন্ডাররা কেবল হারের ব্যবধান কমান। এর আগে বল হাতে মোস্তাফিজুর রহমানের দারুণ শুরুর পর গতির ঝড় তোলেন নাহিদ রানা। একের পর এক জিম্বাবুইয়ান ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়ে গড়েন দেশের পক্ষে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। এতদিন এ রেকর্ডটি ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজা ও রুবেল হোসেনের। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ১০ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন মাশরাফি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৩ সালে ৫.৫ ওভারে সমান রানে ৬ উইকেট পান রুবেল।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন