সংগ্রামের মধ্যদিয়ে তারেক রহমান এই পর্যায়ে এসেছেন

‘অবিসংবাদিত তারেক রহমান’ বই-এর পাঠ উন্মোচন

সংগ্রামের মধ্যদিয়ে তারেক রহমান এই পর্যায়ে এসেছেন

ফন্ট সাইজ:

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর বিভিন্ন লেখকের লেখা প্রবন্ধের বই ‘অবিসংবাদিত তারেক রহমান’। ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ হাই-কমিশনের প্রেস সচিব তারিক চয়নের সম্পাদিত বইটি ১৩ বছর আগে সম্পাদিত। যা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বইয়ের পাঠ উন্মোচন উৎসবে বইটি নিয়ে বিশিষ্টজনরা প্রতিক্রিয়া জানান। বইটি প্রকাশ করে অনন্যা। বইয়ের পাঠ উন্মোচনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

শিক্ষাবিদ ড. ইউসুফ হায়দার চৌধুরী শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন অনুষ্ঠানে বলেন, রাজনীতি যেহেতু একটা বিজ্ঞান এবং বিশেষ করে ডেমোক্রেটিক পলিটিক্সে, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে তারেক রহমানের মতো একজন নেতা যেরকম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উনি এই পর্যায়ে এসেছেন, বাকি সময়টাও কিন্তু একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তাকে পথ চলতে হবে এবং আমরা যাকে এই লেখকসহ যারা তাকে খুব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বা করছি, তারা আমরা নিশ্চয়ই এই বিষয়টি সম্পর্কে সজাগ এবং সচেতন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অবিসংবাদিত শব্দটি কোনো চিরকালীন শব্দ নয়। এটি কর্মের মাধ্যমে অর্জন করতে হয় এবং রক্ষা করতে হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় তা অর্জন করেছেন।

বই লেখার উদ্দেশ্য বর্ণনা করে তারিক চয়ন বলেন, তারেক রহমানকে আমি প্রধানত দু’টি কারণে চিনতাম। প্রথমটি হলো- তার শক্তি। আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম সেই সময় তারেক রহমান ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এবং বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। আমরা তাকে বিটিভিসহ বিভিন্ন চ্যানেলে দেখতাম। তিনি একদম প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। অনেক মানুষ তার সঙ্গে একবার হাত মিলিয়েই আজীবনের জন্য তার আদর্শের ভক্ত হয়ে যেতেন। অনেকে মনে করতে পারেন যে, হাত মিলিয়েই কি আদর্শের সঙ্গী হওয়া যায়? কিন্তু আমি মনে করি সম্ভব, বিশেষ করে তার মাপের একজন নেতা যখন বরিশালের কোনো প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলান, তখন সেই মানুষটি তার রাজনীতির প্রতি স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহী হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, গত ১৩ বছর ধরে বইটি কেন প্রকাশিত হয়নি, তা নিয়ে মিডিয়ায় অনেক জল্পনা হয়েছে। ২০১৩ সালে যদি আমি বইটি প্রকাশ করতাম, তবে আমি হয়তো সাংবাদিক পরিচয়টি ধরে রাখতে পারতাম না। তখন পরিস্থিতি এমন ছিল যে, ছাত্রলীগ করলে আপনি একাধারে সাংবাদিক, সম্পাদক, নির্মাতা বা সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হতে পারতেন। কিন্তু আপনার সঙ্গে যদি ছাত্রদলের তকমা লেগে থাকে, তবে আপনি সাংবাদিক হতে পারবেন না। নানা প্রতিকূলতায় দীর্ঘদিন বইটি অপ্রকাশিত থাকলেও অবশেষে সেটি আলোর মুখ দেখেছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন